
২০২৪ লোকসভা নির্বাচন সম্পূর্ণ। ১ জুন, ৭ম দফার ভোটপর্ব শেষ হওয়ার পর থেকেই কাউন্টডাউন শুরু হয়েছিল। দিল্লির মসনদে কে বসবে- ফের হ্যাটট্রিক করবে মোদী নাকি চমক দেবে ইন্ডিয়া জোট? – এই প্রশ্নই ঘুরে চলেছে সকলের মনে। অবশেষে মাহেন্দ্রক্ষণ আসন্ন। আজ, ৪ জুন সকাল থেকে শুরু ৫৪৩টি আসনের ভোট গণনা। কোন দল এগিয়ে, কোন প্রার্থী পিছিয়ে, কারা সরকার গড়তে চলেছে, সেই সব খবরের প্রতি মুহূর্তের আপডেট দেখতে নজর রাখুন টিভি৯ বাংলায়
ইন্ডিয়া জোট বিরোধী আসনেই বসতে চায়, বৈঠকে এটাই ঠিক হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্র। কিন্তু, তারপরও কি কোনও নাটক বাকি থাকছে? বুধবার রাতে, টিডিপি প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তথা ডিএমকে প্রধান এমকে স্টালিন। স্টালিন জানিয়েছেন, দিল্লি ছাড়ার আগে, এটা একটা সৌজন্য সাক্ষাত ছিল।
বিরোধী আসনেই থাকবে বিরোধী দলের জোট ইন্ডিয়া। এদিন জোটের বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বৈঠকের পর মল্লিকার্জুন খাড়্গে বলেন, ‘২ ঘণ্টার বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সংবিধান বাঁচানোর লক্ষ্যে মানুষ ভোট দিয়েছে। ইন্ডিয়া জোট মোদীর স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে লড়বে।’
মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে এক এক করে পৌঁছতে শুরু করলেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। শুরু হবে বৈঠক।
শেষ হল NDA শরিকদের বৈঠক। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে একে একে বেরিয়ে আসছেন রাজনাথ সিং, অমিত শাহরা।
#WATCH | Defence Minister Rajnath Singh leaves from 7, LKM, the residence of Prime Minister Narendra Modi, in Delhi after the conclusion of the meeting of NDA’s constituent parties. pic.twitter.com/Q2kHUZ7R5O
— ANI (@ANI) June 5, 2024
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করে ইস্তফা দিলেন মোদী।
#WATCH | PM Narendra Modi called on President Droupadi Murmu at Rashtrapati Bhavan. He tendered his resignation along with the Union Council of Ministers.
The President accepted the resignation and requested the Prime Minister and the Union Council of Ministers to continue in… pic.twitter.com/7qZ0erNL2I
— ANI (@ANI) June 5, 2024
সকালেই দেখা গিয়েছিল, একই বিমানে যাচ্ছেন নীতীশ কুমার ও তেজস্বী যাদব। নীতীশের ঠিক পিছনের সিটেই বসেছিলেন তেজস্বী যাদব। দুইজনকে হাসিমুখেই দেখা যায়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই আরও একটি ছবি সামনে আসে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, নীতীশ কুমারের পাশে বসে রয়েছেন তেজস্বী যাদব। এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে যে বিমানেই কি জোট অদল-বদলের কথা হয়ে গেল?
রায়বরেলী ও ওয়েনাড-দুই আসন থেকেই তিন লাখেরও বেশি মার্জিনে জয়ী হয়েছেন রাহুল। দুই আসনে জয়ের পরই জল্পনা শুরু হয়েছে যে কোন আসনের সাংসদ হবে রাহুল এবং কোন আসনটি ছেড়ে দেবেন তিনি। গতকালই রাহুল গান্ধী জানান, এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি তিনি। তবে জল্পনা শোনা যাচ্ছে, এবার ওয়েনাড আসন ছেড়ে দিতে পারেন রাহুল। মায়ের দেখানো পথেই হয়তো হাঁটবেন তিনি। ১৯৯৯ সালে আমেঠী ও বেল্লারি আসন থেকে লড়েছিলেন সনিয়া গান্ধী এবং দুই আসন থেকেই জয়ী হন। যেহেতু আমেঠী থেকে বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন সনিয়া, তাই সেই আসনেই সাংসদ হন তিনি। ছেড়ে দেন বেল্লারি আসন।
বিস্তারিত পড়ুন: রায়বরেলী-ওয়েনাড জিতে কি রাজনীতিতে প্রিয়ঙ্কার পথই প্রশস্ত করলেন রাহুল?
সকাল থেকে একটি ছবি ভাইরাল। বিমানে নীতীশের পাশের আসনেই বসেছিলেন তেজস্বী যাদব। কী কথা হল? সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিলেন তেজস্বী।
#WATCH | Delhi: When asked if INDIA alliance will try to have their govt at the Centre, RJD’s Tejashwi Yadav says, “Have some patience. Wait & watch.”
As photos of Bihar CM Nitish Kumar & him travelling on the same flight to Delhi go viral, he says, “We greeted each other. Baaki… pic.twitter.com/Qnjwfn2hnf
— ANI (@ANI) June 5, 2024
আগামী শনিবার, ৮ জুন তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিতে পারেন নরেন্দ্র মোদী। কোথায় শপথ অনুষ্ঠান হবে, তা এখনও জানা যায়নি। সূত্রের খবর, কর্তব্যপথে নেওয়া হতে পারে শপথ।
মহারাষ্ট্র থেকে শিব সেনা প্রধান একনাথ শিন্ডে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হলেন এনডিএ জোটের বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য।
ফল প্রকাশের পর থেকে জল্পানা ছিল টিডিপি-কে নিয়ে। চন্দ্রবাবু নাইডুর দল আবারও অন্ধ্র প্রদেশের ক্ষমতায় আসছে। তারা কার হাত ধরবে, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। বুধবারই অবস্থান স্পষ্ট করলেন চন্দ্রবাবু। তিনি জানান, এনডিএ জোটেই থাকছেন তিনি।
#WATCH | Vijayawada, Andhra Pradesh: TDP chief N Chandrababu Naidu says, “You always want news. I am experienced and I have seen several political changes in this country. We are in NDA, I’m going to the NDA meeting…” pic.twitter.com/zR75K8x87Z
— ANI (@ANI) June 5, 2024
২০২৪ সালের নির্বাচনে এনডিএ সরকারের জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে শুভেচ্ছা জানালেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে।
আগামী বছর সংবিধানের ৭৫ বছর পূর্তি হবে। এই সন্ধিক্ষণে দেশের সমস্ত রাজ্যের সঙ্গে এগিয়ে যাবে এনডিএ সরকার। বিভিন্ন রাজ্যে যে দলেরই সরকার থাকুক না কেন, তাতে কিছু এসে যায় না। আমরা এক সঙ্গে কাজ করে দেশের সেবা করব। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। এটা গণতন্ত্রের শক্তি। নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করতে চাই।
বিজেপির কাছে দলের আগে দেশ। দেশের কথা আগে ভাবে বলেই বিজেপি সেবা ধর্ম নিয়ে চলতে পারে। পুরো ক্ষমতা দিয়ে দেশের সেবা করে যাবে আগামী পাঁচ বছর।
গত দশ বছরে এনডিএ সরকারে আমলে ডিজিটাল ইন্ডিয়ার বিকাশ হয়েছে। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার বিকাশের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি অনেকাংশে আটকানো সম্ভব হয়েছে।
কোভিড টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত যে ভাবে কাজ করেছে, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারতীয় চন্দ্রযান যেভাবে পৌঁছেছে। সেই সব সাফল্যের খতিয়ান আরও এক বার দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার প্রসঙ্গও এ দিন শোনা গিয়েছে মোদীর কথায়।
তাঁর সরকারের তৃতীয় দফায় কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন মোদী। বীজ থেকে ফসল তোলা পর্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তি এবং ব্যবস্থা দিয়ে কৃষকদের সহায়তার ঘোষণা শোনা গেল মোদীর বক্তব্যে। এর পাশাপাশি ভারতকে তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতি বানানোর জন্য মোদী সরকার পুরোদমে কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বিজেপি-র নেতাকর্মী, দেশবাসীকে বলব, এত গরমে আপনারা যে ঘাম ঝরিয়েছেন, তা মোদীকে নিরন্তর কাজ করার প্রেরণা দেবে। আমি আরও বলতে চাই, “আপনি ১০ ঘণ্টা কাজ করলে, মোদী ১৮ ঘণ্টা কাজ করব। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। এনডিএ সরকারের তৃতীয় দফায় দেশকে বড় সিদ্ধান্তের নতুন অধ্যায় লিখবে। এটা মোদীর গ্যারান্টি।”
স্বাধীনতার ৭০ বছর পর দেশের কোটি কোটি গরিব বিনামূল্যে রেশন পেয়েছে। বিনামূল্যে চিকিৎসা করাতে পেরেছে। ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে। আমরা রাষ্ট্রকে প্রথমে রেখেছি। রাষ্ট্রীয় স্বার্থে সবার আগে বলেই এই পরিষেবা সম্ভব হয়েছে।
মোদী: এই ফল বিকশিত ভারতের জয়। আমার মা মারা যাওয়ার পর এটা ছিল প্রথম ভোট। কিন্তু ভোটের প্রচারে গিয়ে কোটি কোটি মা, বোনদের যে আশীর্বাদ পেয়েছি, তাতে মায়ের অভাব অনুভূত হয়নি। এনডিএ-র পাশে থাকার জন্য জনতা জনার্দনকে প্রণাম জানাই।
ওড়িশায় বিজেপির সরকার গঠন হবে। জগন্নাথভূমে বিজেপির এই সাফল্য নিয়ে খুশি গোপন করেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কেরলে আসন পাওয়া ও ভোট বাড়ানোর বিষয়ও উল্লেখ করেছেন। বিহারে নীতীশবাবুর নেতৃত্বে জয় এসেছে। অন্ধ্র প্রদেশে চন্দ্রবাবুর নেতৃত্বে দারুণ ফল এসেছে।
মোদী: ১৯৬২ সালের পর এই প্রথমবার কোনও সরকার পর পর তিনবার ক্ষমতায় এল। যা এনডিএ সরকারে কৃতিত্ব।
নির্বাচনী ব্যবস্থায় অংশগ্রহণের জন্য জম্মু ও কাশ্মীরবাসীকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সকলের সাহায্যেই ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থা সফল। বিজেপির কর্মী সমর্থকদেরও ধন্যবাদ জানালেন মোদী।
ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়েও উচ্ছ্বসিত নরেন্দ্র মোদী। বিশ্বের সবথেকে বড় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিকে সফল ভাবে চালানোর জন্য় কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থা গোটা বিশ্বের কাছে উদাহরণ বলে জানিয়েছেন তিনি।
বিজেপির সদর দফতরে গিয়ে ভোটের ফল নিয়ে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বললেন, “দেশের জনগণ এনডিএ-কে তিন বার সরকার গড়ার রায় দিয়েছে। এর জন্য দেশবাসীর কাছে আমি ঋণী। এটা দুনিয়ার সবথেকে বড় গণতন্ত্রের জয়। এটা ভারতের সংবিধানের জয়। এটা বিকশিত ভারতের জয়। এটা সবকা সাথ সবকা বিকাশ মন্ত্রের জয়। ১৪০ কোটি ভারতীয়ের জয়।”
নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে উপস্থিত রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।
লোকসভা নির্বাচনের ফল নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এনডিএ-র উপর ভরসা রাখার জন্য তিনি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তৃতীয় বারের জন্য এনডিএ-কে ক্ষমতায় আনায় ইতিহাস তৈরি হল বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কঠোর পরিশ্রমের জন্য বিজেপি কর্মীসমর্থকদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন তিনি।
People have placed their faith in NDA, for a third consecutive time! This is a historical feat in India’s history.
I bow to the Janata Janardan for this affection and assure them that we will continue the good work done in the last decade to keep fulfilling the aspirations of…
— Narendra Modi (@narendramodi) June 4, 2024
ত্রিপুরা পশ্চিম লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। ওই কেন্দ্র থেকে ৬ লক্ষের বেশি ভোটে তিনি হারিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী আশিস কুমার সাহাকে।
উত্তর প্রদেশের নাগিন কেন্দ্র থেকে জিতলেন চন্দ্রশেখর। আজাদ সমাজ পার্টি (কাঁসি রাম) দলের হয়ে নাগিন কেন্দ্রে লড়েছিলেন তিনি। বিজেপি-র ওম কুমারকে দেড় লক্ষ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি।
ভোটে দাঁড়ানোর পরই তাঁর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও কুমারস্বামীর ভাইপো প্রজ্জ্বল রেভান্নাকে টিকিট দিয়েছিল জেডিএস। কিন্তু কর্নাটকের হাসন কেন্দ্র থেকে হেরে গেলেন প্রজ্জ্বল রেভান্না।
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বিপুল জয় এবং দেশে বিজেপির ভরাডুবির পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মততা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ফল নিয়ে মমতা বলেছেন, “মোদীর ইস্তফা দেওয়া উচিত।” প্রধানমন্ত্রী উদ্দেশে মমতার তোপ, “মোদী অনেক দল ভেঙেছে । এবার মানুষ ওর মনোবল ভেঙে দিয়েছে। “
উত্তর প্রদেশের মথুরা লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি-র প্রার্থী হয়েছিলেন গ্ল্যামার কুইন হেমা মালিনী। ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রাথীকে ২ লক্ষ ৮১ হাজার ৮২৩ ভোটে হারিয়েছেন তিনি।
হিমাচল প্রদেশের চারটি লোকসভা আসনেই জিতেছেন বিজেপি প্রার্থীরা। হামিরপুরে জিতেছেন অনুরাগ ঠাকুর, মান্ডিতে জিতেছেন কঙ্গনা রানাউত, শিমলা কেন্দ্রে জিতেছেন সুরেশ কুমার কাশ্যপ এবং কাঙ্গরা কেন্দ্র থেকে জিতেছেন রাজীব ভরদ্বাজ।
হিমাচল প্রদেশের হামিরপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপি-র প্রার্থী ছিলেন বিদায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। সেখানে ১ লক্ষ ৮২ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন তিনি।
কেরলের তিরুঅনন্তপুরম লোকসভা কেন্দ্র থেকে ফের জিতলেন কংগ্রেস প্রার্থী শশী থারুর। ১৬ হাজারের বেশি ভোটে তিনি হারিয়েছেন বিজেপির রাজীব চন্দ্রশেখরকে। ওই কেন্দ্র থেকেই দীর্ঘদিন জিতে আসছেন শশী। যদিও মাঝপর্বে পিছিয়ে পড়েছিলেন থারুর। কিন্তু ভোট গণনার শেষে তাঁর হাসিই চওড়া হল।
অরুণাচল পশ্চিম লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতলেন বিদায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী কিরেন রিজিজু। কংগ্রেস প্রার্থী নবম তুকিকে এক লক্ষেরও বেশি ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন রিজিজু।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে লড়াই ছিল সংবিধান বাঁচানোর। ভোটের ফল প্রকাশের পর সাংবাদিক সম্মেলনে এসে হাতে সংবিধান নিয়ে এই কথাই শোনা গেল রাহুল গান্ধীর মুখে। কেরলের ওয়েনাড এবং উত্তর প্রদেশে রায়বরেলী আসন থেকে এ বছর জিতেছেন রাহুল। বিজেপি-র মুখ থুবড়ে পড়া নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের সাফল্যের কথাও উঠে এল রাহুলের মুখে। রাহুল গান্ধী বলেছেন, “কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়া জোটের লড়াই একটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ছিল না। লড়াই ছিল সংবিধান বাঁচানোর। যখন পার্টি ভেঙেছে, আমাদের ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ করেছে, মুখ্যমন্ত্রীদের জেলে ঢুকিয়েছে, তখনই জানতাম মানুষ জবাব দেবে।”
এটা জনতার রায়। জনতার জিত। গণতন্ত্রের জয়। কোন একটি দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এই রায় মোদীজির বিরুদ্ধে গিয়েছে। মোদির নৈতিক হার। বিজেপির অহংকার এই ফলাফলের কারণ।
২০২৪ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসের ফল গত দুই লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় ভালো হয়েছে। এই ফলের প্রবণতা স্পষ্ট হতেই সাংবাদিক সম্মেলনে বসলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী। নির্বাচনের ফলকে স্বাগত জানিয়ে খাড়্গে বলেছেন, “বিজেপির নৈতিক হার।” রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রার সাফল্যের কথাও উঠে এসেছে খাড়্গের মুখে।
বহরমপুর কেন্দ্রে হেরে গেলেন কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। তৃণমূলের তারকা প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের কাছে হারলেন তিনি। ইউসুফ ৮০ হাজারেরও বেশি ভোটে হেরেছেন তিনি। বহরমপুরে অধীরের পরাজয় নিশ্চিতভাবে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের কাছে বড় ধাক্কা। ১৯৯৯ সাল থেকে ওই কেন্দ্রে একটানা জিতে আসছেন অধীর। এক দশক পর সারা দেশে যখন ভালো ফল হচ্ছে কংগ্রেসের। এই পরিস্থিতিতেই হার মানতে হল অধীরকে।
বারাণসী কেন্দ্র থেকে জয়ী হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই নিয়ে টানা তিন বার ওই কেন্দ্র থেকে জিতলেন তিনি। যদিও মঙ্গলবার গণনা শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিলেন মোদী। কিন্তু বেলা গড়াতেই কংগ্রেস প্রার্থীর থেকে ব্যবধান বাড়তে থাকে প্রধানমন্ত্রীর। লক্ষাধিক ভোটেই জিতেছেন তিনি।
বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্র থেকে হেরে গেলেন বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার। তৃণমূল প্রার্থী অরূপ সরকারের কাছে হেরেছেন তিনি। ২০১৯ সালে এই কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন সুভাষ সরকার। তার পর কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীও হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ঘাসফুল ঝড়ের কাছে হার স্বীকার করতে হল তাঁকে।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়েছে বিজেপি। তুলনায় ভালো ফল করেছে কংগ্রেস। আসন সংখ্যাও বেড়েছে হাত শিবিরের। এই ফল দেখেই দীর্ঘদিন পর উচ্ছ্বসিত কংগ্রেসকর্মীরা। ফল প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা কাটতেই প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর বাড়ির সামনে ভিড় জমিয়েছেন কংকর্মীরা। সেখানে বাজনা বাজিয়ে উচ্ছ্বাস করতে দেখা যাচ্ছে তাঁদের।
#WATCH | Delhi: Visuals of celebrations from outside the residence of Congress General Secretary Priyanka Gandhi Vadra. pic.twitter.com/PfvyyhM1X1
— ANI (@ANI) June 4, 2024
কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিএস নেতা এইচডি কুমারস্বামী ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন মান্ড্য লোকসভা কেন্দ্র থেকে। সেই কেন্দ্রে থেকে জিতেছেন তিনি।
পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা চরণজিৎ সিং চান্নি প্রায় ২ লক্ষ ভোটে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির সুশীল কুমার রিঙ্কু।
জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ কেন্দ্রের পিডিপি প্রার্থী তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি পরাজিত হলেন। ২ লক্ষের বেশি ভোটে তাঁকে পরাজিত করেছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রার্থী মিয়ান আলতাফ আহমেদ।
হাজিপুর কেন্দ্র থেকে ১ লক্ষের বেশি ভোটে এগিয়ে লোক জনশক্তি পার্টির চিরাগ পাসওয়ান। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আরজেডি প্রার্থী শিবচন্দ্র রাম।
দুপুর ৩টেয় ভোটের ফল অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এই ফল নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে নিজের বাসভবনে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন রাজনাথ সিং, অমিত শাহও।
লালু কন্যা রোহিণী সারেন কেন্দ্রে পিছিয়ে থাকলেও পাটলিপুত্র কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন লালু প্রসাদ যাদবের আরেক মেয়ে মিসা ভারতী। দুজনেই আরজেডি প্রার্থী হয়েছিলেন।
উত্তর-পূর্বের রাজ্য, মণিপুরে ২টি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। ২টি আসনেই এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। বিজেপি ও নির্দলের ঝুলিতে এখনও শূন্য। অন্যদিকে, লাদাখে এগিয়ে রয়েছেন নির্দল প্রার্থী।
বাংলার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র কৃষ্ণনগরের ফল ঘোষিত। দুটি কেন্দ্রেই তৃণমূলের জয়জয়কার। রাজমাতা অমৃতা সিংকে ৫৪ হাজারের বেশি ভোটে পিছনে ফেলে জয়ী তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র।
উত্তর প্রদেশে বিজেপিকে বড় ধাক্কা দিচ্ছে সমাজবাদী পার্টি। দুপুর ৩টে গণনা অনুযায়ী, কনৌজ কেন্দ্র থেকে ১ লক্ষের বেশি ভোটে এগিয়ে এসপি সুপ্রিম অখিলেশ যাদন। মৈনপুরী কেন্দ্র থেকে ২ লক্ষের বেশি ভোটে এগিয়ে অখিলেশের স্ত্রী ডিম্পল যাদব।
রায়বরেলি ও ওয়ানাড কেন্দ্র থেকরে এবারে প্রার্থী হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। দুটি কেন্দ্রেই তাঁর জয় প্রায় নিশ্চিত। দুপুর ২টো পর্যন্ত গণনা অনুযায়ী, ওয়ানাড কেন্দ্র থেকে ৩ লক্ষ ২৮ হাজার ৪৬০ ভোটে এবং রায়বরেলি কেন্দ্রে ২ লক্ষ ৭১ হাজার ৭৫২ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন রাহুল গান্ধী।
২০১৪, ২০১৯-এর পর এবারেও বারাণসী কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত দু-বারের মতো এবারেও তিনি জয়ের পথে। দুপুর ২টো পর্যন্ত গণনা অনুযায়ী, ১ লক্ষের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।
NEWS ALERT | PM Narendra Modi now leads by 1,17,540 votes in Varanasi Lok Sabha seat.#LSResultsWithPTI #LSPolls2024WithPTI #LokSabhaElections2024 pic.twitter.com/1xV5Qg4zDw
— Press Trust of India (@PTI_News) June 4, 2024
রাম মন্দিরের কেন্দ্র, ফৈজাবাদ বিজেপির দখলে যাবে বলেই অধিকাংশের অনুমান ছিল। কিন্তু, দুপুর ২টো পর্যন্ত গণনা অনুযায়ী, এই কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে অখিলেশ যাদবের দল। ফৈজাবাদে বিজেপি প্রার্থী লাল্লু সিংয়ের থেকে ১০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন এসপি প্রার্থী অধেশ প্রসাদ।
জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের ৬টি আসনের মধ্যে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিজেপি, ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং নির্দল- প্রত্যেকেই ২টি করে আসনে এগিয়ে রয়েছে। তবে পিছিয়ে গিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতি।
বেলা ১২টা পর্যন্ত গণনা অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশে ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে ৪৩ আসনে। আর এনডিএ এগিয়ে জোট রয়েছে ৩৬ আসনে। অর্থাৎ উত্তর প্রদেশে এগিয়ে রয়েছে ইন্ডিয়া জোট।
এবারে সনিয়া গান্ধীর কেন্দ্র, রায়বরেলি এবং দক্ষিণের ওয়ানাডের প্রার্থী হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে রয়েছেন রাগা। বেলা ১১টা পর্যন্ত গণনা অনুযায়ী, রায়বরেলি কেন্দ্রে ৫০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন রাহুল গান্ধী। আর ওয়ানাডে ১ লক্ষের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন রাহুল।
লোকসভার ৫৪৩টি আসনের সঙ্গেই আজ ওড়িশা ও অন্ধ্র প্রদেশ বিধানসভার নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হচ্ছে। বেলা পৌনে ১১টা পর্যন্ত ১৭৫টি আসনের মধ্যে ১১৭টি আসনেই এগিয়ে তেলেগু দেশম পার্টি (TDP)। ওয়াইএসআর কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ২৩টি আসনে, জনসেনা পার্টি ১৫টি আসনে আর বিজেপি এখনও পর্যন্ত মাত্র ৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
ওড়িশায় এখনও পর্যন্ত বিজেডি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তবে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেডি প্রধান নবীন পট্টনায়েক তাঁর কেন্দ্র, কান্তাবাজি আসনে এগিয়ে রয়েছেন।
২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই আজ ওড়িশা বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ওড়িশায় ১৮টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। আর নবীন পট্টনায়কের দল, বিজেডি এগিয়ে ১৩টি আসনে।
উত্তর প্রদেশের মথুরা কেন্দ্রটি গত কয়েক বছর ধরেই বিজেপির দখলে। এবারেও এই কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী হেমা মালিনী। প্রথম দু-ঘণ্টায় তিনি প্রায় ৫০ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। কেবল নিজের জয় নয়, বিজেপি সরকার গড়বে বলেও আশাবাদী এই তারকা প্রার্থী।
#WATCH | BJP MP and BJP candidate from UP’s Mathura, Hema Malini says, “…This is a very exciting moment right now and I am sure that our party will come and we will definitely form the government. I am also getting a very good lead from Mathura. Things are going very well right… pic.twitter.com/XedAeBdECl
— ANI (@ANI) June 4, 2024
গো-বলয় রাজস্থানও বিজেপির গড় হিসাবেই পরিচিত। এই রাজ্যেও এনডিএ-কে জোর টেক্কা দিচ্ছে ইন্ডিয়া জোট। গণনার প্রথম দু-ঘণ্টার মধ্যে এনডিএ এগিয়ে রয়েছে ১০টি আসনে এবং ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে ১৫টি আসনে
গো-বলয় তথা বিজেপির গড় উত্তর প্রদেশে জোর টক্কর দিচ্ছে ইন্ডিয়া জোট। বেলা পৌনে ১০টা পর্যন্ত এই রাজ্যে সমাজবাদী পার্টি এগিয়ে ৩২টি আসনে। অন্যদিকে, বিজেপি এগিয়ে ২৫টি আসনে। যা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
ভোট গণনার শুরু থেকে আমেঠিতে স্মৃতি ইরানি এগিয়ে থাকলেও দেড় ঘণ্টা পর পিছিয়ে গেলেন তিনি। অন্যদিকে, সুলতানপুরে পিছিয়ে গিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী মানেকা গান্ধীও। কবে লখনউয়ে এগিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং।
ভোট গণনা শুরুর প্রথম দেড় ঘণ্টাতেই ম্যাজিক ফিগার পেরোল NDA। ২৭৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে এনডিএ জোট। অন্যদিকে, ইন্ডিয়া জোট ২০১টি আসনে এগিয়ে। আর অন্যান্যরা ৬০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
ভোট গণনা শুরুর ২৪ ঘণ্টা আগে, সোমবার শেয়ার বাজারের সূচকের রেকর্ড বৃদ্ধি হয়েছিল। কিন্তু, আজ ভোট গণনা শুরু হতেই শেয়ার বাজারে পতন শুরু। সেনসেক্সের ১৬০০ পয়েন্ট পতন হল। নামি সব শেয়ারের পতন হয়েছে।
ভোট গণনা শুরুর প্রথম এক ঘণ্টাতেই ম্যাজিক ফিগারে এনডিএ! ২৭১টি আসনে লিড করছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে ফারাক অনেকটাই। তবে রাজধানীতে ৪টি আসনে এগিয়ে ইন্ডিয়া জোট এবং ৩টি আসনে এগিয়ে এনডিএ জোট।
ভোট গণনা শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যেই বিপুল ভোটে এগিয়ে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৯০ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
ভোট গণনার এক ঘণ্টাও পেরোয়নি। এর মধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছে NDA জোট। প্রথম ৫০ মিনিটেই ২৬৯টি আসনে এগিয়ে এনডিএ। আর ইন্ডিয়া জোট সবে সেঞ্চুরি পেরিয়েছে। অর্থাৎ ব্যবধান ক্রমশ বাড়ছে।
হিমাচল প্রদেশের মান্ডিতে এখনও পিছিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী কঙ্গনা রানাওয়াত। তবে বারাণসী কেন্দ্রে এগিয়ে নরেন্দ্র মোদী। এবারে জয়ী হলে এই নিয়ে পরপর তিনবার বারাণসী কেন্দ্র থেকে জয়ী হবেন নরেন্দ্র মোদী। আর অর্থাৎ হ্যাটট্রিক করবেন।
চণ্ডীগঢ়ে এগিয়ে রয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মণীশ মালহোত্রা। অন্যদিকে, পুরীতে এগিয়ে বিজেপির সম্বিত পাত্র, মুম্বই উত্তরে এগিয়ে বিজেপির পীযূষ গোয়েল। এমনকি সমস্ত বিতর্কের মধ্যেও মধ্যপ্রদেশের গুনাতেও এগিয়ে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।
ভোট গণনা শুরু হওয়ার আধঘণ্টার মধ্যেই পাল্লা ভারী গেরুয়া শিবিরের দিকে। এর মধ্যেই এনডিএ জোট ২০০ আসনে এগিয়েছে। আর ইন্ডিয়া জোট সেঞ্চুরির কাছে। অর্থাৎ প্রথম থেকেই ফারাক অনেকটা।
রায়বরেলি ও ওয়ানাড়- দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। অন্যদিকে, আমেঠিতে গণনার শুরু থেকে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপির প্রার্থী তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি।
ওড়িশার সম্বলপুরে এগিয়ে রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশের বিদিশায় এগিয়ে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।
ভোট গণনার শুরুতেই পিছিয়ে লালু প্রসাদ যাদবের দুই কন্যা মিসা ও রোহিনী। আরজেডি-র প্রতীকেই পাটলিপুত্রের প্রার্থী ছিলেন মিসা ও সারেনের প্রার্থী রোহিণী পিছিয়ে রয়েছেন।
গণনার শুরুতেই এগিয়ে রয়েছেন রাজস্থানের কোটার বিজেপি প্রার্থী ওম বিড়লা। আর হিমাচল প্রদেশের মান্ডিতে পিছিয়ে পড়লেন কঙ্গনা রানাওয়াত।
ভোট গণনা শুরুর ৫ মিনিটের মধ্যেই NDA জোট এগিয়ে ১২ আসনে এবং ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে রয়েছে ৮ আসনে। এখনও পর্যন্ত অন্যান্যদের ঝুলিতে পড়েছে ১টি আসন।
ঘড়ির কাঁটা ধরে ঠিক ৮টায় শুরু হল ভোট গণনা। প্রায় সাড়ে ১০ লক্ষ কেন্দ্রে গণনা শুরু হয়েছে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪টি টেবিল রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার।
মেয়াদ ফুরানোর আগেই সংসদ থেকে বরখাস্ত হয়েছিলেন। আবার কি সংসদে ফিরতে পারবেন তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র? পারবেন কি বিজেপির সব অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়ে রাজমাতাকে টেক্কা দিতে?- এমন প্রশ্নই ঘুরছে কৃষ্ণনগরের অলি-গলিতে। যার জবাব মিলবে এদিন। তবে তার আগে গণনাকেন্দ্রে যাওয়ার পথে গোলাপি শাড়িতে সেই চেনা লুকে নতুনভাবে দেখা গেল কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রকে।
Off to counting! pic.twitter.com/JSvMgGGmfe
— Mahua Moitra (@MahuaMoitra) June 4, 2024
ভোট গণনা যখনই শুরু হোক না কেন, জয়ের ব্যাপারে কার্যত নিশ্চিত গেরুয়া শিবির। তাই ভোট গণনা শুরুর আগেই দিল্লির হেডকোয়ার্টারে শুরু হয়েছে পুরি ও মিষ্টি বানানোর প্রস্তুতি। বিকালে জয় উদযাপন করতেই সকাল থেকে পার্টির হেডকোয়ার্টারে এই সমস্ত রান্না শুরু করেছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা।
#WATCH | Poori and sweets being prepared at the BJP headquarters in Delhi ahead of the Lok Sabha election results .
Vote counting for #LokSabhaElections to begin at 8 am. pic.twitter.com/XkrSIua7uF
— ANI (@ANI) June 4, 2024
২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনা এখনও শুরু হয়নি। কিন্তু, গণনা শুরুর আগেই ১টি আসন গেল বিজেপি তথা এনডিএ-র ঝুলিতে। সুরাট কেন্দ্রটি পেল গেরুয়া শিবির। এই কেন্দ্রে বিজেপি ছাড়া কোনও দলের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সুরাটে জয় পেল বিজেপি।
এবারের বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, ফের বিপুল ভোট নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। যদিও এই ফলের সত্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। আর সনিয়া গান্ধীর মন্তব্য, “কেবল অপেক্ষা করুন এবং দেখুন।”
ভোট গণনা এখনও শুরু হয়নি। কিন্তু, বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষার রিপোর্ট জানাচ্ছে, ফের বিপুল ভোট নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। তারপর সোমবার সকাল থেকেই উপরের দিকে ছিল শেয়ার বাজার। ২৫০০-র বেশি পয়েন্ট নিয়ে BSE সেনসেক্স এবং নিফটি-তে ৫০ স্টক পয়েন্ট নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় বাজার বন্ধ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটের ফলাফলের উপরই শেয়ার বাজার নির্ভর করবে। তবে সূচক উপরের দিকেই থাকবে বলে আশাবাদী শেয়ার কারবারীরা।
২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের ফল কী হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গণনা শুরু হতে এখনও কিছুটা সময় বাকি। কিন্তু, এর মধ্যেই রাজধানীতে জয়ের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। গেরুয়া আবির নিয়ে, ঢাক বাজিয়ে সকাল থেকেই উল্লাস শুরু করেছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা।
দেশের মোট ৫৪৩টি কেন্দ্রের ৮ হাজার প্রার্থীর ভাগ্যগণনা। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছে। সরকার গড়ার ব্যাপারে দেশের মোট ৬৪.২ কোটি মানুষ তাঁদের মতামত জানিয়েছেন, যার মধ্যে ৩১.২ কোটি মহিলা। অর্থাৎ এবারে ভোটের ফলাফলে মহিলা ভোটারদের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা বলা বাহুল্য।
৭ম দফা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর বিভিন্ন সংস্থা থেকে আসা বুথ ফেরত সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, দেশজুড়ে কেবলই গেরুয়া-ঝড়। অর্থাৎ ফের দিল্লিতে সরকার গড়ছে নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন এনডিএ। যদিও এই সমীক্ষা মানতে নারাজ বিরোধী নেতারা। কোনটি সত্যি হবে, আদতে কী ফল বেরোবে, তা জানতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা।
আজ, ৪ জুন, মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হবে ৫৪৩টি আসনের ভোট গণনা। ইতিমধ্যে কাউন্টডাউন শুরু। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোট গণনার কাজ শুরু করতে চলেছেন ভোটকর্মীরা।