AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mahua Moitra-Kalyan Banerjee: ‘কল্যাণদা খুবই ইমোশনাল…’, পুরনো ঝগড়া টেনে দুঃসময়ের বাস্তবতা বোঝালেন মহুয়া

TMC internal politics: মহুয়া-কল্যাণের ঝগড়া সকলের জানা। একে অপরের মুখ দেখতে নারাজ ছিলেন তাঁরা। এমনকী, দলের নেত্রীর কাছে অভিযোগও জমা দিয়েছেন। মহুয়াকে দেখলে দিন খারাপ যাবে, এমন মন্তব্য যেমন করেছেন কল্য়াণ, তেমনই মহুয়ার আক্রমণাত্মক মন্তব্যের জেরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় তৃণমূলের 'চিফ হুইপ' পদ থেকে পদত্যাগও করেছিলেন।

Mahua Moitra-Kalyan Banerjee: 'কল্যাণদা খুবই ইমোশনাল...', পুরনো ঝগড়া টেনে দুঃসময়ের বাস্তবতা বোঝালেন মহুয়া
ফাইল চিত্র।Image Credit: PTI
| Updated on: Jun 12, 2026 | 6:40 PM
Share

নয়া দিল্লি: কথায় আছে, দুর্দিনে আপন কে, তা চেনা যায়। তাসের ঘরের মতো ভাঙছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। কে আসল তৃণমূল, তা বোঝা দায়। দলের এই খারাপ সময় চিনিয়ে দিচ্ছে অনেক মানুষকেও। দুঃসময়ে অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গ ছেড়েছেন। তবে সেখানেই ঠিক বিপরীত চিত্রটাও দেখা গিয়েছে। যারা সুসময়ে একে অপরের সঙ্গে সারাক্ষণ কলহে ব্যস্ত ছিলেন, আজ দুঃসময়ে তারাই একে অপরের পাশে দাঁড়ালেন। যে মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)-কে ‘নারী বিদ্বেষী’ বলে দেগেছিলেন, সেই মহুয়াই আজ পাশে দাঁড়ালেন কল্যাণের।

তৃণমূল কংগ্রেসের খারাপ দিনেও দলের পাশে থেকেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নারদা-সারদা থেকে নিয়োগ দুর্নীতি বা এসআইআর-লড়েছেন একের পর এক মামলা। দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেন দলের জন্য। সেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও এখন বিক্ষুব্ধ। নাহ, বিক্ষুব্ধ সাংসদদের শিবিরে নাম লেখাননি তিনি, তবে ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙেছে। সরাসরি অভিষেকের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। বলেছেন, “দিদি অভিষেককে নিয়ে চললে চলুক, আমাকে দরকার নেই। আর অভিষেককে বাদ দিয়ে যদি দিদি চলে, আমি আছি“। কেন এমন বললেন কল্যাণ? তাহলে কি তিনিও বিক্ষুব্ধদের দলে নাম লেখাবেন? এই নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূলের আরেক সাংসদ, মহুয়া মৈত্র।

কল্য়াণের ক্ষোভ-

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের সামনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেছেন যে হয় আমায় বেছে নিন, নাহলে অভিষেককে। এই প্রসঙ্গে মহুয়া মৈত্র বলেন, “বাপি হালদার, পার্থ ভৌমিক কার লোক ছিল? এরা কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের লোক ছিলেন। ঋতব্রত কার শিবিরের ছিল, সায়নী ইয়ুথ প্রেসিডেন্ট ছিল, অভিষেক তার আগে যুব সভাপতি ছিল। কল্যাণদা একজন ইমোশনাল মানুষ। আমার সঙ্গে কল্যাণদার কত ঝগড়া হয়েছে, সবাই জানেন। কল্যাণদা ১০০ শতাংশ দলের সঙ্গে আছেন।

মহুয়ার সাফাই-

তবে কেন প্রকাশ্যে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ? তার সাফাই দিয়ে মহুয়া বলেন, “গতকাল কোনও কারণে এটা বলেছেন। কেস লড়ছিলেন, খুব চাপে ছিলেন, অনেক মামলা ফাইল করছেন, অভিষেকের কেসও ফাইল করছিলেন, সেখানে কেউ একজন আলাদাভাবে রিট ফাইল করেছেন ওঁকে না বলে, তাই ওঁ রেগে গিয়েছেন। ওই মুহূর্তে তিনি বলেছেন যে আমি এত সামলাতে পারছি না। আমার ৬৫ বছর বয়স। দিদিকে বলেছেন যে অভিষেককে বলুন, নিজেরটা নিজে দেখে নিতে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যদের সঙ্গে নেই। কোর্ট কেস নিয়ে কিছু হয়েছে, দিদি কথা বলবেন।

প্রসঙ্গত, মহুয়া-কল্যাণের ঝগড়া সকলের জানা। একে অপরের মুখ দেখতে নারাজ ছিলেন তাঁরা। এমনকী, দলের নেত্রীর কাছে অভিযোগও জমা দিয়েছেন। মহুয়াকে দেখলে দিন খারাপ যাবে, এমন মন্তব্য যেমন করেছেন কল্য়াণ, তেমনই মহুয়ার আক্রমণাত্মক মন্তব্যের জেরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় তৃণমূলের ‘চিফ হুইপ’ পদ থেকে পদত্যাগও করেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় মহুয়ার বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তবে দূরত্ব ভুলে আবার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এবার কল্যাণের ক্ষোভ, মান-অভিমানের সাফাইও দিলেন মহুয়া।

Follow Us