
নয়া দিল্লি: পোষ্যর হেফাজত পেতে এবার দিল্লির নিম্ন আদালত থেকে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সারমেয়কে কাছে পেতে মরিয়া হয়ে আইনি লড়াই লড়ছেন তিনি। মহুয়ার সঙ্গে তাঁরই প্রাক্তন প্রেমিক জয় অনন্ত দেহদ্রাইয়ের সঙ্গে এই আইনি লড়াই চলছে।
মহুয়ার পোষ্য এক ‘রটউইলার’ হেনরি কার কাছে থাকবে তা নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে চলছে আইনি লড়াই। মহুয়া মৈত্র চেয়েছিলেন, তাঁর কাছে মাসে অন্তত ১০ দিন করে থাক হেনরি। সেই আবেদন ইতিমধ্যেই খারিজ করে দিয়েছে দিল্লির সাকেত কোর্ট। নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন মহুয়া মৈত্র।
মহুয়ার বক্তব্য, জয় অনন্ত দেহদ্রাইয়ের উপহার ছিল ‘হেনরি’। কিন্তু হেনরির যাবতীয় দেখভাল করতেন তিনি। শুধুমাত্র টাকা দিয়ে কিনেছেন বলে হেনরির মালিকানা জয়ের হতে পারে না বলে দাবি তৃণমূল সাংসদের। সাকেত কোর্ট আইনের সবদিক খতিয়ে না দেখে একতরফা রায় দিয়েছেন বলে অভিযোগ মহুয়ার।
ধ্রুব মালিক, কীর্তি রাজ, রুদ্রাক্ষ মাথুর এবং শিবেন ভার্মা নামে চারজন আইনজীবীর মারফত নিজের পিটিশন ফাইল করিয়েছেন মহুয়া। অন্যদিকে, পোষ্যকে নিজের কাছে রাখতে মরিয়া জয় নিজেই বৃহস্পতিবার দিল্লি হাইকোর্টে মহুয়ার বিরুদ্ধে সওয়াল করেন। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি মনোজ কুমার ওহরি বিস্তারিত শুনানির জন্য সব পক্ষকে নোটিস ইস্যু করেছেন।
সংসদে বিতর্কের সময় এই জয় অনন্ত দেহদ্রাই মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন। ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছিলেন বলে মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন পেশায় আইনজীবী দেহদ্রাই। মহুয়াও তাঁকে জবাব দিতে ছাড়েননি সেইসময়।