
নয়া দিল্লি: জোড়া গাড়িতে বিস্ফোরণ। মৃত্যু একাধিক নিরীহ মানুষের। দিল্লির লালকেল্লার ঘটনায় কাউকে যে রেয়াত করা হবে না সেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। এবার দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ সেই এক কথা বললেন। এই ঘটনার সঙ্গে যে যে জড়িত রয়েছে প্রত্যেককে বের করতে হবে খুঁজে-খুঁজে।
মঙ্গলবার ১১ নভেম্বর গতকালের ঘটনা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন অমিত শাহ। সেখান থেকে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, “দিল্লি বিস্ফোরণের প্রতিটি কালপ্রিটকে খুঁজে বের করতে হবে।” জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, “যেখানেই লুকিয়ে থাকুক, খুঁজে বার করে চূড়ান্ত শাস্তি দিতে হবে।” একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকেও সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, গতকালের ঘটনার পর গোয়েন্দাদের ব্যর্থতা নিয়ে সরব হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে দুষেছে বিরোধী দলগুলি। আজ ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অমিত শাহের ইস্তফার দাবি তুলেছেন। প্রয়োজনে সিট গঠন করে আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবিও করেছেন তিনি।
তবে, গতকালের ঘটনার পরই সাংবাদিক বৈঠকে বসেন অমিত শাহ। প্রথমে হাসপাতালে যান আহতের সঙ্গে দেখা করার জন্য। পরে বৈঠক করে এনআইএ, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG), ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (FSL) এবং দিল্লি পুলিশকে একসঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আজ আবার ভূটান থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি প্রতি মুহূর্তে ঘটনার আপডেট নিচ্ছি। তদন্তকারীরা এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা মাথাদের ঠিক খুঁজে বের করবে। পাশাপাশি, যারা এর সঙ্গে জড়িত, তারাও যথাযথ শাস্তি পাবে।”
প্রসঙ্গত, সোমবার দিল্লির লালকেল্লা মেট্রোর গেটের সামনে জোড়া গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের দোকান কেঁপে ওঠে। মৃত্যু হয় একাধিকের। হাত কেটে পড়ে যায়, ছিন্নভিন্ন দেহাংশ ছড়িয়ে পড়ে লালকেল্লা চত্বরে।