Abhishek on Gyanesh Kumar: ‘চোর জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ নয়, গ্রেফতারি চাই’, দিল্লিতে হাঁটতে-হাঁটতে বললেন অভিষেক
INDIA Alliance: বাংলার রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "ইন্ডি জোট বলে কোনও জোটের অস্তিত্ব কোনও দিন ছিল না। আমাদের রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রী রাহুল গান্ধীর অস্তিত্বকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তিনি মল্লিকার্জুন খাড়্গের নাম ঘোষণা করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। জীবনে কোনওদিন একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করতে পারেননি। আর আজ যখন মানুষ প্রত্যাখ্যান করছেন, সেই সময় এই ধরনের মন্তব্য করছেন।"

নয়া দিল্লি: সংসদ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন মিছিল করতে চলেছে ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা।সকাল সাড়ে দশটায় সংসদের মকরদ্বার থেকে শুরু হয়ছে মার্চ। সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সব সংসদীয় দলের নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। ইন্ডিয়া জোটের দাবি এবং দফা এক। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও তাঁর গ্রেফতারি।
আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় র্যালিতে হাঁটতে-হাঁটতে বলেন, “কমিশনের চুরি ধরা পড়ে গিয়েছে। আমরা ছ’মাস বা এক বছর আগে যা বলেছিলাম, আজ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সেই একই কথা বলছেন। কাল সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, ফর্ম ৬ কোনও ভাবেই অ্যাপ্রুভ করেনি। আমাদের পুরো দাবি মান্যতা দেওয়া হয়েছে। ফর্ম ৬ সুপ্রিম কোর্ট অ্যাপ্রুভ না করে, তাহলে পুরোপুলি এসআইআর প্রক্রিয়া বেআইনি।”
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের গ্রেফতারি চেয়ে অভিষেক বলেন, “জ্ঞানেশ কুমার বিজেপিকে সুযোগ করেছে মানুষের অধিকার খর্ব করেছে। বাংলা, বিহার, মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকী, ট্রাইব্যুনালে লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম অমীমাংসিত তালিকায়। ভোট চোর জ্ঞানেশ কুমারের শুধু পদত্যাগ নয়, ওঁকে গ্রেফতার করতে হবে। মানুষের অধিকার কড়েছেন উনি। সেই কারণে মানুষ রাস্তায়। আর মানুষ রাস্তায় বলে শাসক ভীত। মোদী সরকার ভীত।”
এ দিকে, কমিশন অফিস থেকে ৫০০ মিটার দূরে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেওয়া হলো মিছিল। চলছে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি। এ দিনের কর্মসূচির অনুমোদন পেয়েছেন শুধুমাত্র সাংসদ ও সংবাদ মাধ্যম। তা সত্বেও দেখা গেল সমাজবাদী পার্টি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে অখিলেশ যাদব এসে পৌঁছছেন। বারেবারে মাকিং করা হচ্ছে, ব্যারিকেড না টপকানোর। সামগ্রিক ভাবে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে একটা সংঘাতের বাতাবরণ ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।
বাংলার রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “ইন্ডি জোট বলে কোনও জোটের অস্তিত্ব কোনও দিন ছিল না। আমাদের রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রী রাহুল গান্ধীর অস্তিত্বকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তিনি মল্লিকার্জুন খাড়্গের নাম ঘোষণা করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। জীবনে কোনওদিন একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করতে পারেননি। আর আজ যখন মানুষ প্রত্যাখ্যান করছেন, সেই সময় এই ধরনের মন্তব্য করছেন।”
