AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Gyanesh Kumar Impeachment: মক পার্লামেন্টে জ্ঞানেশকে অপসারণ নিয়ে প্রস্তাব পাশ, ‘প্রহসন’ বলল বিজেপি

Gyanesh Kumar Public Impeachment: আগে খাড়্গে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ছ’টি অভিযোগ তুলেছিলেন। বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচনে কারচুপির ষড়যন্ত্র, ভোটার তালিকা থেকে ১৩.২ কোটি নাম বাদ দেওয়ায় সাহায্য, সংসদের অনুমোদন ছাড়া ফর্ম ৬-এ পরিবর্তন এবং ECINET প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভোটার তালিকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া-এসবের সঙ্গে জড়িত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

Gyanesh Kumar Impeachment: মক পার্লামেন্টে জ্ঞানেশকে অপসারণ নিয়ে প্রস্তাব পাশ, 'প্রহসন' বলল বিজেপি
মক পার্লামেন্টImage Credit: Tv9 Bangla
| Updated on: Oct 31, 2026 | 8:11 PM
Share

নয়া দিল্লি : মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) অপসারণ নিয়ে সর্বসম্মতভাবে প্রস্তাব পাশ হল মক পার্লামেন্টে (Mock Parliament)। দিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবনে প্রতীকী ‘জনতার ইমপিচমেন্ট’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানই পাশ হল প্রস্তাব। ওই কর্মসূচি থেকে  বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেন, “জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আনা ইমপিচমেন্টের প্রস্তাবকে তিনি সম্পূর্ণ সমর্থন করছেন। দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে যাঁরা দুর্বল করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবেই এই কর্মসূচি।

প্রস্তাবে ছয় অভিযোগ, চার দফা দাবি

আগে খাড়্গে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ছ’টি অভিযোগ তুলেছিলেন। বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচনে কারচুপির ষড়যন্ত্র, ভোটার তালিকা থেকে ১৩.২ কোটি নাম বাদ দেওয়ায় সাহায্য, সংসদের অনুমোদন ছাড়া ফর্ম ৬-এ পরিবর্তন এবং ECINET প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভোটার তালিকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া-এসবের সঙ্গে জড়িত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

প্রস্তাবে চারটি দাবি জানানো হয়েছে, জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরানো, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) বন্ধ করা, ২০২৩ সালের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইনে সংশোধন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা।

খাড়্গে বলেন, এই কর্মসূচি ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে নয়, নির্বাচন কমিশনের উপর মানুষের আস্থা ফেরানোর উদ্দেশ্যে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনারদের আইনি সুরক্ষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ওই আইনে নির্বাচন কমিশনারদের আজীবন আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বিরোধী সাংসদদের সাসপেন্ড করার পর আইনটি পাশ করানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন খাড়্গে।

এদিকে, কর্মসূচির পরদিন, ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ ব্যানারে মিছিল ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে ইন্ডি জোট। দুপুর ১২টায় মিন্টো রোডের মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়ে আজমেরি গেট হয়ে রামলীলা ময়দানে শেষ হওয়ার কথা। উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

এদিকে, ১ নভেম্বর সকাল ১১টায় হরি নগরে পাল্টা বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছে বিজেপি। সেখানে প্রায় ৫,০০০ মানুষের উপস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

‘এটা প্রহসন’, পাল্টা বিজেপি

বিরোধীদের কর্মসূচির তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র গুরু প্রকাশ পাসওয়ানের দাবি, মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এক সংবাদ সংস্থাকে বলেন, “এটা প্রহসন, মক পার্লামেন্ট নয়।”

Follow Us