লক্ষ্য বাংলা! নবীনের শপথ অনুষ্ঠানে বুঝিয়ে দিলেন মোদী
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, "অনেকদিন ক্ষমতায় থাকলে মানুষের আস্থা কমে যায়। সেই ট্রেন্ডও ভেঙে দিয়েছে বিজেপি। গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহারে আগের থেকে বেশি ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।" এই প্রসঙ্গেই মোদী আরও বলেন, "পশ্চিমবঙ্গ ও তেলঙ্গনায় বিজেপি মানুষের কন্ঠস্বর হিসেবে উঠে এসেছে।"

নয়া দিল্লি: সর্বকনিষ্ঠ সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন নিতিন নবীন। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর সেখানেই মোদী থেকে নবীন, প্রত্যেকের মুখেই শোনা গেল পশ্চিমবঙ্গের কথা। বাংলার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন নিতিন নবীন। আর সেই ভোট যে বিজেপির অন্যতম পাখির চোখ, সে কথা এদিন স্পষ্ট হলে গেল মোদীর কথাতেই।
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেকদিন ক্ষমতায় থাকলে মানুষের আস্থা কমে যায়। সেই ট্রেন্ডও ভেঙে দিয়েছে বিজেপি। গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহারে আগের থেকে বেশি ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।” এই প্রসঙ্গেই মোদী আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ও তেলঙ্গনায় বিজেপি মানুষের কন্ঠস্বর হিসেবে উঠে এসেছে।” তাঁর কথাতেই স্পষ্ট হয়ে যায়, পশ্চিমবঙ্গই এখন বিজেপির লক্ষ্য।
নিতিন নবীন পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ‘ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জ’ বা জনবিন্যাস পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। নিতিন বলেছেন, “আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিধানসভা ভোট হবে তামিলনাড়ু, অসম, পশ্চিমবঙ্গ, পুদুচেরী ও কেরলে। এই রাজ্যগুলির জনবিন্যাস নিয়ে বারবার চর্চা হয়েছে। সেটাই আমাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে আমার বিশ্বাস, বিজেপি কর্মীরা তাদের পরিশ্রমে পাঁচ রাজ্যেই সাফল্য আনবে।” দায়িত্বে এসেই যে এই পাঁচ রাজ্যকে পাখির চোখ করবেন তিনি, সে কথা বুঝিয়ে দিয়েছেন নিতিন।
নিতিনের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আমি দেশের প্রধানমন্ত্রী। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছি। ৫০ বছরের কম বয়সে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি। এই সব একটা জায়গায় আছে। কিন্তু এর থেকেও বড় পরিচয় হল আমি বিজেপির একজন কার্যকর্তা। দলের ক্ষেত্রে আমি কার্যকর্তা, আর নিতিন নবীন আমার বস।”
