
নয়া দিল্লি: ছাব্বিশ জনের মধ্যে ছিলেন সহিস আদিল হোসেন। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিরা যখন পর্যটকদের খুন করছিলেন, সেই সময় তাদের বাধা দিতে গিয়ে প্রাণ হারাতে হয় কাশ্মীরি যুবক আদিল হোসনকে। আজ সেই আদিলের বাবা ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রীকে। ধন্যবাদ জানালেন সেনাকে।
রোজের মতোই সেইদিন (হামলার ঘটনার) কাজে বেরিয়েছিলেন আদিল। পেশায় তিনি সহিস। ঘোড়ার পিঠে পর্যটকদের চাপিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। ঘটনার দিন যখন জঙ্গিরা গুলি চালাচ্ছিল, আদিল তাদের বাধা দেয়। বারণ করে। কিন্তু শোনেনি ওরা। নিমেশে গুলিকে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল ছেলেটাকে। আজ আদিলের বাবা জানিয়েছেন, ছেলে অবশেষে আজ সুবিচার পেল। রাতে তিনি শান্তির ঘুম ঘুমোতে পারবেন। হায়দার শাহ বলেন, “ছাব্বিশ জন মানুষকে মেরে ফেলেছিল ওরা। আজ তাদেরই বদলা নিয়েছে। আমরা খুশি। সরকার এর বদলা নিয়েছে। ফৌজিরা এর বদলা নিয়েছে। আমি খুশি। আমার মোদীর উপর ভরসা ছিল। আজ রাতে শান্তির ঘুম ঘুমোবো।”
পহেলগাঁও হামলার পর থেকে বদলার জন্য ফুঁসছিল ভারত। প্রধানমন্ত্রী মোদী আগেই জানিয়েছিলেন, “বদলা নেওয়া হবে। কাউকে রেয়াত করা হবে না।” আর সেইটাই হল। একেবারে পাকিস্তানে ঢুকে ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি খতম করে দিল ভারত। যার জেরে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১০০ জন জঙ্গির। বস্তুত, কাশ্মীরে পহেলগাঁও হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ছাব্বিশ জন। স্ত্রী সন্তানের সামনেই পুরুষদের ধর্ম জেনে খুন করেছে জঙ্গিরা। আর সেই পর্যটকদের বাঁচাতে গিয়েই মৃত্যু হয়েছিল আদিলের। আজ তাঁর বাবাই বলছেন ‘ইনসাফ’ পেলাম।