নয়াদিল্লি: পরীক্ষা মানেই মনের কোণে হালকা ভয়। একটু উত্তেজনা, একটু চিন্তা। আর দিনশেষে সব মিলে মিশে একাকার। ভালোয় ভালোয় মিটলে মন থাকবে ভালো, তা না হলে নামবে আঁধার। যে কোনও পড়ুয়ার কাছে পরীক্ষার সংজ্ঞা কিছুটা এমনটাই। এই ভয়কে কাটাতেই প্রতিবছর বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক। নাম ‘পরীক্ষা পে চর্চা’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাবনায় তৈরি এই বিশেষ উদ্যোগ পরীক্ষার্থীদের কাছে সোনার কাঠির সমান।
কিন্তু এই জিনিসটি কী? কোনও প্রকল্প? কোনও স্কলারশিপ? তা নয়। ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি সামিল হয়েছে ভারতের বিকাশে। পরীক্ষার চাপ কীভাবে মোকাবিলা করা যায় এবং পরীক্ষাকে ভয় পাওয়ার বদলে কীভাবে সেটিকে একটি উৎসব হিসাবে দেখা যায় — এই নিয়েই প্রতি বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কথা বলেন ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে। দেন পরামর্শ।
গত কয়েক বছর ধরেই ধীরে ধীরে জনমানসে, বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের মধ্য়ে জায়গা করে নিয়েছে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ উদ্য়োগটি। দিল্লিতে আয়োজিত এই কর্মসূচি যোগ দিয়ে থাকেন দেশের নানা প্রান্তের বাসিন্দারা। চলতি বছরের পরীক্ষা পে চর্চা এখনই ভেঙে দিয়েছে সব রেকর্ড।
শিক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, গত ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন চলেছিল। তাতেই ব্যাপক ভাবে সাড়া পেয়েছে কেন্দ্রের এই উদ্যোগ। এই বছর পরীক্ষা পে চর্চার মূল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সাড়ে চার কোটি মানুষ। কেউ কেউ উপস্থিত ছিলেন সভাস্থলে। কেউ বা ছিলেন ভার্চুয়ালি। তবে এই সংখ্য়া এখানেই শেষ হয়নি।
এছাড়াও পরীক্ষা পে চর্চা কর্মসূচি ঘিরে যে সকল বাড়তি কর্মসূচি চলছে, তাতে মোট অংশগ্রহণকারীর সংখ্য়া ২.২৬ কোটি। অর্থাৎ এই গোটা কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন মোট ৬.৭৬ কোটি মানুষ। চলতি বছর মোদীর পরামর্শ নিতে একত্রিত হয়েছিল গোটা ভারত। দেশের উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম — সমগ্র প্রান্ত থেকেই ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক শিক্ষিকা এবং অভিভাবকরা যোগ দিয়েছিল এই অনুষ্ঠানে।
নয়াদিল্লি: পরীক্ষা মানেই মনের কোণে হালকা ভয়। একটু উত্তেজনা, একটু চিন্তা। আর দিনশেষে সব মিলে মিশে একাকার। ভালোয় ভালোয় মিটলে মন থাকবে ভালো, তা না হলে নামবে আঁধার। যে কোনও পড়ুয়ার কাছে পরীক্ষার সংজ্ঞা কিছুটা এমনটাই। এই ভয়কে কাটাতেই প্রতিবছর বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক। নাম ‘পরীক্ষা পে চর্চা’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাবনায় তৈরি এই বিশেষ উদ্যোগ পরীক্ষার্থীদের কাছে সোনার কাঠির সমান।
কিন্তু এই জিনিসটি কী? কোনও প্রকল্প? কোনও স্কলারশিপ? তা নয়। ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি সামিল হয়েছে ভারতের বিকাশে। পরীক্ষার চাপ কীভাবে মোকাবিলা করা যায় এবং পরীক্ষাকে ভয় পাওয়ার বদলে কীভাবে সেটিকে একটি উৎসব হিসাবে দেখা যায় — এই নিয়েই প্রতি বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কথা বলেন ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে। দেন পরামর্শ।
গত কয়েক বছর ধরেই ধীরে ধীরে জনমানসে, বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের মধ্য়ে জায়গা করে নিয়েছে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ উদ্য়োগটি। দিল্লিতে আয়োজিত এই কর্মসূচি যোগ দিয়ে থাকেন দেশের নানা প্রান্তের বাসিন্দারা। চলতি বছরের পরীক্ষা পে চর্চা এখনই ভেঙে দিয়েছে সব রেকর্ড।
শিক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, গত ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন চলেছিল। তাতেই ব্যাপক ভাবে সাড়া পেয়েছে কেন্দ্রের এই উদ্যোগ। এই বছর পরীক্ষা পে চর্চার মূল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সাড়ে চার কোটি মানুষ। কেউ কেউ উপস্থিত ছিলেন সভাস্থলে। কেউ বা ছিলেন ভার্চুয়ালি। তবে এই সংখ্য়া এখানেই শেষ হয়নি।
এছাড়াও পরীক্ষা পে চর্চা কর্মসূচি ঘিরে যে সকল বাড়তি কর্মসূচি চলছে, তাতে মোট অংশগ্রহণকারীর সংখ্য়া ২.২৬ কোটি। অর্থাৎ এই গোটা কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন মোট ৬.৭৬ কোটি মানুষ। চলতি বছর মোদীর পরামর্শ নিতে একত্রিত হয়েছিল গোটা ভারত। দেশের উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম — সমগ্র প্রান্ত থেকেই ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক শিক্ষিকা এবং অভিভাবকরা যোগ দিয়েছিল এই অনুষ্ঠানে।