Anti-paper leak bill Passed: বিরোধীদের ওয়াক আউট, লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হল প্রশ্নফাঁস বিরোধী সংশোধনী আইন
Parliament Update: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই সংশোধনী বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর সংসদে বিল পেশ করা হয়। আজ লোকসভায় ধ্বনিভোটের মাধ্যমে এই বিল পাশ করানো হয়। বিল নিয়ে আলোচনা চলছিল সংসদে। বিল পেশের সময় বিরোধী সাংসদরা ওয়াক আউট করেন।

নয়া দিল্লি: প্রশ্ন ফাঁস ইস্যুতে সরগরম সংসদ। আজ বিরোধীদের হই-হট্টগোলের মাঝেই লোকসভায় পাশ হয়ে গেল প্রশ্নপত্র ফাঁস বিরোধী বিল। আজ বিরোধীরা সংসদের লোকসভা থেকে ওয়াকআউট করেন, সেই সময় ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে গেল প্রশ্নপত্র ফাঁস বিরোধী সংশোধনী বিল (Public Examination (Prevention of Unfair Means) Amendment Bill, 2026)। আগামিকাল সংসদে এই সংশোধনী বিল পেশ করা হবে।
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের পরই দেশ জুড়ে বিক্ষোভ-আন্দোলন শুরু হয়। দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশন, বিক্ষোভ শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টি। দেশের ছাত্র-যুবরাও এই আন্দোলনে যোগ দেন। এরপরই চাপের মুখে কেন্দ্রীয় সরকার প্রশ্নফাঁস রুখতে কড়া পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেয়। জানানো হয়, পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট ২০২৪- এ সংশোধন করা হবে।
ধ্বনিভোটে বিল পাশ-
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও প্রশ্নফাঁস রুখতে কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দেন। সেই অনুযায়ী শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই সংশোধনী বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর সংসদে বিল পেশ করা হয়। আজ লোকসভায় ধ্বনিভোটের মাধ্যমে এই বিল পাশ করানো হয়।
বিরোধীদের ওয়াক আউট-
বিল নিয়ে আলোচনা চলছিল সংসদে। বিল পেশের সময় বিরোধী সাংসদরা ওয়াক আউট করেন। তাদের বক্তব্য, এই সংশোধনী বিলকে সমর্থন করলেও, কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হল, তা নিয়েও আলোচনার দরকার। প্রতি বছর নিট (NEET)-র মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে কেন, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলে বিরোধীরা। পাশাপাশি দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনকারীদের উপরে পুলিশি অ্যাকশন, লাঠিচার্জ নিয়েও কেন্দ্রের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে বিরোধীরা।
কী বলা আছে নতুন বিলে?
নতুন বিলে প্রশ্নপত্র ফাঁসে জেলের সাজা আরও বাড়ানো এবং আর্থিক জরিমানার কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে প্রশ্ন ফাঁসের অপরাধে তিন থেকে পাঁচ বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।
এই জরিমানার অঙ্ক বাড়িয়ে ১ কোটি টাকা করা হয়েছে। যদি পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নফাঁস করা হয়, তাহলে অপরাধীদের ৫ থেকে ১০ বছরের জেল ও ন্যূনতম ১ কোটি টাকা জরিমানা করা হতে পারে। যদি কেউ অপরাধের অভিযোগ না জানান, তাহলে তাদেরও ১ কোটি টাকা জরিমানা করা হতে পারে।
নতুন বিল অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে তদন্ত। পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে কেসের ট্রায়াল। পাঁচ মাস সুনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করতে হবে প্রক্রিয়া।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরই মুম্বই, কলকাতা, দিল্লি এবং মধ্য প্রদেশ হাইকোর্টে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলার শুনানির জন্য ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট (Fast Track Court) গঠন করা হচ্ছে।
