PM Narendra Modi on Sharad Pawar: ‘সুপ্রিয়া তৈরি হয়ে গিয়েছে, আপনি বিশ্রাম নিন’, শরদ পাওয়ারকে ফোন মোদীর
Sharad Pawar health:জানা যাচ্ছে বুধবার সকালে মোদীর ফোন যায় শরদ পাওয়ারের কাছে। অন্তত তেমনটাই দাবি করেছেন তাঁর সহযোগি বিঠ্ঠল মনিয়া বলেন, "সাহেবের শারীরিক অবস্থা নিয়ে খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অত্যন্ত স্নেহ ও শ্রদ্ধার সঙ্গে কথা বলেছেন। মোদী বলেছেন, সাহেব আপনি সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিন। সুপ্রিয়া তৈরি হয়ে গিয়েছে। সুপ্রিয়া এবং আমরা দেশ সামলে নেব। আপনি বিশ্রাম নিন।"

নয়া দিল্লি: অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার। সদ্যই ছাড়া পেয়েছেন তিনি। আর তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। শরদ পাওয়ারকে নাকি মোদি বলেছেন, “সুপ্রিয়া তৈরি হয়ে গিয়েছে। সুপ্রিয়া এবং আমরা দেশ সামলে নেব। আপনি আপাতত সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিন।” প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।
জানা যাচ্ছে বুধবার সকালে মোদীর ফোন যায় শরদ পাওয়ারের কাছে। অন্তত তেমনটাই দাবি করেছেন তাঁর সহযোগি বিঠ্ঠল মনিয়া বলেন, “সাহেবের শারীরিক অবস্থা নিয়ে খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অত্যন্ত স্নেহ ও শ্রদ্ধার সঙ্গে কথা বলেছেন। মোদী বলেছেন, সাহেব আপনি সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিন। সুপ্রিয়া তৈরি হয়ে গিয়েছে। সুপ্রিয়া এবং আমরা দেশ সামলে নেব। আপনি বিশ্রাম নিন।”
প্রত্যুত্তরে শরদ পাওয়ার কী বলেছেন তাও জানিয়েছেন মনিয়া। তিনি বলেছেন, “আমি বিশ্রাম নিচ্ছি। আপনারা আছেন। দেশের জন্য আমার আর চিন্তার কিছু নেই। আপনারা কাজ চালিয়ে যান।” মোদীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন শরদ পাওয়ার।
শরদ পাওয়ারের কী হয়েছে?
বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন শরদ পাওয়ার। হাসপাতাল থেকে ইতিমধ্যেই ছাড়া পেয়েছেন তিনি। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানান তাঁর মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে।
বর্তমানে জাতীয় রাজনীতিতে অন্যতম মুখ সুপ্রিয়া। ইন্ডিয়া জোটেরও একটি মুখ তিনি। সম্প্রতি, রামলীলা ময়দানে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে যে বিক্ষোভ হয়েছিল সেখানেও উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিয়া। এমতাবস্থায়, মোদীর ফোন নিতান্তই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা বাড়িয়েছে।
এখানে উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ার বিদ্রোহ ঘোষণা করে দল ভেঙে বেরিয়ে যান। বিজেপির নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্রের মহাজুটি সরকারে যোগ দেন তিনি। পরে নির্বাচন কমিশন অজিত পাওয়ারের গোষ্ঠীকে আসল এনসিপি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। অন্যদিকে শরদ পাওয়ারের শিবিরের নাম হয় এনসিপি (শরদচন্দ্র পাওয়ার)। ফলে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি কার্যত দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
