India’s Fastest Metro: ৫৫ মিনিটেই দিল্লি থেকে মিরাট! দেশের দ্রুততম মেট্রোর উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে
Rapid Rail Corridor: ৮২.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মিরাট নমো ভারত করিডর হল ভারতের প্রথম আঞ্চলিক র্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম। দিল্লির সরাই কালে খান থেকে উত্তর প্রদেের মোদীপুরম পর্যন্ত ছুটবে এই র্যাপিড রেল। এর মধ্যে ২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ মিরাট মেট্রো নমো ভারত র্যাপিড রেলের সঙ্গে ট্র্যাক ভাগ করবে।

নয়া দিল্লি: আরও একটা নজির। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে উদ্বোধন হতে চলেছে ভারতের দ্রুততম মেট্রোর। আজ, রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী মোদী মিরাটে মেট্রোর উদ্বোধন করতে চলেছেন। পাশাপাশি ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-মিরাট র্যাপিড রেল করিডরেরও উদ্বোধন করবেন তিনি। ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার স্পিডে মিরাট মেট্রো ভারতের দ্রুততম মেট্রো পরিষেবা হতে চলেছে। এই মেট্রোর দৌলতে মাত্র ৫৫ মিনিটেই দিল্লি থেকে মিরাট পৌঁছে যাওয়া যাবে।
আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একসঙ্গে মিরাট মেট্রো ও নমো ভারত ট্রেনের উদ্বোধন করবেন শতাব্দী নগর স্টেশন থেকে। প্রধানমন্ত্রী মোদী মিরাট সাউথ অবধি যাবেন মেট্রোয়। তারপর সেখানে ১২ হাজার ৯৩০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।
৮২.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মিরাট নমো ভারত করিডর হল ভারতের প্রথম আঞ্চলিক র্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম। দিল্লির সরাই কালে খান থেকে উত্তর প্রদেের মোদীপুরম পর্যন্ত ছুটবে এই র্যাপিড রেল। এর মধ্যে ২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ মিরাট মেট্রো নমো ভারত র্যাপিড রেলের সঙ্গে ট্র্যাক ভাগ করবে। এর ফলে যাত্রীদেরও মেট্রো থেকে সরাসরি ট্রেন ধরতে সুবিধা হবে।
নমো ভারত র্যাপিড রেলের ডিজাইন স্পিড ধার্য করা হয়েছে ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার। তবে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার সর্বোচ্চ গতিবেগে ছুটবে এই ট্রেন। ২১ কিলোমিটার রাস্তা পার করা যাবে মাত্র ৩০ মিনিটেই। দীর্ঘ ২৩ কিলোমিটারের যে মেট্রো পথ রয়েছে, তার মধ্যে ১৬ কিলোমিটার পথ মাটির উপরে, বাকি ৭ কিলোমিটার পথ মাটির নীচে। মোট ১৩টি স্টেশন থাকবে।
জানা গিয়েছে, ব্যস্ত সময়ে প্রতি ৫ থেকে ১০ মিনিট অন্তরই মেট্রো চলবে। অন্য সময়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের ব্যবধানে ট্রেন চলবে। উইকডে-তে ভোর ৬টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত এবং রবিবার সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেট্রো চলবে।
এর সবথেকে বড় সুবিধা হল, একই টিকিটে যাত্রীরা নমো ভারত র্যাপিড রেল ও মিরাট মেট্রোয় চড়তে পারবেন। মেট্রোয় সর্বাধিক ৭০০-রও বেশি যাত্রী ভ্রমণ করতে পারবেন। এসি কোচে আরামদায়ক সিট যেমন থাকবে, তেমনই সিসিটিভি ক্যামেরা, লাগেজ র্যাক, ইউএসবি মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট থাকবে।
