PM Modi: মধ্যপ্রদেশে প্রাতঃরাশ, বিহারে মধ্যাহ্নভোজ, অসমে নৈশভোজ- একদিনেই লম্বা সফর মোদীর
Narendra Modi: মধ্যপ্রদেশের পর, বিহারের ভাগলপুরে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সারা দেশের কৃষকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি যোজনার টাকা স্থানান্তর করেছেন তিনি। এই যোজনায় লক্ষ লক্ষ কৃষক পরিবার বার্ষিক ৬ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য পায়।

নয়া দিল্লি: সোমবার পরপর তিন রাজ্যে সফর করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইদিনে মধ্যপ্রদেশ, বিহার এবং অসমে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। উন্নয়নমূলক কাজের জন্যই তাঁর এই সফর। এই সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাও করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
প্রধানমন্ত্রীর পুরো সফরকে যদি এক লাইনে সংক্ষেপে বলতে হয়, তাহলে বলতে হবে, মধ্যপ্রদেশে প্রাতঃরাশ, বিহারে মধ্যাহ্নভোজ ও অসমে নৈশ আহার করেছে তিনি।
এদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মধ্যপ্রদেশে বিনিয়োগ সংক্রান্ত শীর্ষ সম্মেলনের সূচনা করেন। এই শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে মধ্যপ্রদেশের শিল্প ও ব্যবসার ক্ষেত্রে উন্নয়ন হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্যের উন্নয়নের পাশাপাশি সেখানকার যুব সমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।
মধ্যপ্রদেশে সেই সম্মেলনের সূচনায় মোদী বলেন, “গত দুই দশকে পরিবর্তনের একটা যুগ দেখেছে এই রাজ্য। রাস্তা সম্প্রসারিত হয়েছে, রেলপথ বিদ্যুতায়িত হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বেড়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের পঞ্চম বৃহত্তম রাজ্য হল মধ্যপ্রদেশ। কৃষিক্ষেত্রেও মধ্যপ্রদেশ ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় রাজ্য। খনিজ সম্পদের দিক থেকে দেশের পাঁচটি প্রধান রাজ্যের মধ্যে একটি এটি। তাই মধ্যপ্রদেশ সম্ভাবনায় ভরপুর বলে উল্লেখ করেন মোদী।
মধ্যপ্রদেশের পর, বিহারের ভাগলপুরে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সারা দেশের কৃষকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি যোজনার টাকা স্থানান্তর করেছেন তিনি। এই যোজনায় লক্ষ লক্ষ কৃষক পরিবার বার্ষিক ৬ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য পায়।
প্রধানমন্ত্রী সেখানে গিয়ে বলেন, মাখনা উন্নয়ন বোর্ড গঠনে আমাদের পদক্ষেপ বিহারের কৃষকদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক হতে চলেছে। মাখনার উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ এবং বিপণনে সাহায্য করবে এই পদক্ষেপ। ভাগলপুর সিল্কের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
ভাগলপুরের কর্মসূচি সেরে প্রধানমন্ত্রী মোদী অসমের গুয়াহাটিতে পৌঁছন। সেই সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী চা শিল্পের ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে চা বাগানের শ্রমিক এবং আদিবাসীরা ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশন করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “চায়ের সৌন্দর্য এবং সুবাস একজন চা বিক্রেতার থেকে ভাল আর কেউ বুঝতে পারে না।”
