
নয়াদিল্লি: মেট্রোর মতোই অহরহ চলবে বুলেট ট্রেন। ফাঁক থাকবে না কোনও। প্রতি ১৫ থেকে ২০ মিনিটেই ট্রেন পেয়ে যাবেন যাত্রীরা। শুক্রবার রেলভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বড় ঘোষণা করে দিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
এদিন তিনি বলেন, ‘ব্যস্ত সময়ে প্রতি ১৫-২০ মিনিটের ব্যবধানের একটি বুলেট ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে এই ব্যবধানও ধীরে ধীরে কমিয়ে দেওয়া হবে। তখন প্রতি ১০ মিনিটেই একটা করে ট্রেন চালাবে কর্তৃপক্ষ।’ কিন্তু কোন রুটে এই বুলেট ট্রেনগুলি চলবে? ২০০৯ সালের বাজেটে উঠে আসা মুম্বই-আহমেদাবাদ হাইস্পিড রেল করিডোরের কাজ অনেকটাই শেষ হয়ে গিয়েছে। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই করিডোরটি সম্পূর্ণ ভাবে পরিচালিত হলে তখনই এমন কয়েক মিনিটের ব্যবধানে বুলেট ট্রেন চালানো হবে।
কিন্তু কবে থেকে এই মুম্বই-আহমেদাবাদ রেল করিডোরে বুলেট ট্রেন চালানো হবে? বছরের প্রথম দিনেই এই নিয়ে মুখ খুলেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৭ সালে ১৫ অগস্ট থেকে দেশে চালু হয়ে যাবে বুলেট ট্রেন। প্রথমে সুরাট থেকে বিলিমোরা, তারপর ভাপী থেকে সুরাট। তারপর ভাপী থেকে আহমেদাবাদ। অবশেষে মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ পর্যন্ত ছুটবে ট্রেন।
এই নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য রেলমন্ত্রক তুলে ধরেনি। তবে টিকিটের দাম মধ্যবিত্তের জন্য ‘পকেট-বান্ধব’ হবে বলেই মত রেলমন্ত্রীর। তাঁর দাবি, এই বুলেট ট্রেন ভারতের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। গোটা রেল করিডরের কাজ শেষ হলে যাতায়াতের সময়ও অনেকটাই কমে যাবে।
অশ্বিনী বৈষ্ণবের কথায়, ‘ধরুন সুরাটে থাকা কোনও ব্যক্তি প্রাতঃরাশের পর মুম্বই যাবেন, তিনি কিন্তু কয়েক ঘণ্টাতেই সেখানে পৌঁছে যেতে পারবেন। এমনকি, সন্ধ্যায় সুরাটেও ফিরে আসতে পারবেন।’ রেলমন্ত্রক জানিয়েছে, এই হাইস্পিড করিডোর তৈরি হয়ে গেলে মুম্বই-আহমেদাবাদের দূরত্ব অনেকটাই কমে যাবে। একে অপরের থেকে ৫৪০ কিলোমিটার দূরে থাকা এই দুই শহরকে বুলেট ট্রেন জুড়ে দেবে দু’ঘণ্টারও কম সময়ে।