AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

১৮০ জন নাবালিকাকে যৌন হেনস্থা, মোবাইল ভর্তি অশ্লীল ভিডিয়ো! ১৯ বছরের যুবককে জেলে পুরতে থানায় গেলেন খোদ সাংসদ

Minors Abused Case: অভিযুক্ত ওই যুবক নাবালিকাদের প্রেমের ফাঁদে ফাঁসাত। মুম্বই ও পুণেতে তাদের নিয়ে যেত, সেখানে তাদের অশ্লীল ভিডিয়ো রেকর্ড করত। জানা গিয়েছে, ওই ভিডিয়ো দেখিয়েই ব্ল্যাকমেইল করত নাবালিকাদের, তাদের জোর করত দেহ ব্যবসায় নামতে।

১৮০ জন নাবালিকাকে যৌন হেনস্থা, মোবাইল ভর্তি অশ্লীল ভিডিয়ো! ১৯ বছরের যুবককে জেলে পুরতে থানায় গেলেন খোদ সাংসদ
প্রতীকী চিত্র।Image Credit: Alishia Abodunde/Getty Images
| Updated on: Apr 15, 2026 | 9:53 AM
Share

মুম্বই: বিকৃত মানসিকতা বললেও হয়তো কম বলা হয়। কমপক্ষে ১৮০ জন নাবালিকাকে যৌন হেনস্থা করেছে এক কিশোর। অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে সে। তবে তাঁর অপরাধের কীর্তি এখানেই শেষ নয়, মোবাইল ঘাঁটতেই জানা গিয়েছে, নাবালিকাদের যৌন হেনস্থার পাশাপাশি ৩৫০-রও বেশি অশ্লীল ভিডিয়ো রেকর্ড করেছিল ওই যুবক। বিজেপি সাংসদের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের অমরাবতীতে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই যুবক নাবালিকাদের প্রেমের ফাঁদে ফাঁসাত। মুম্বই ও পুণেতে তাদের নিয়ে যেত, সেখানে তাদের অশ্লীল ভিডিয়ো রেকর্ড করত। জানা গিয়েছে, ওই ভিডিয়ো দেখিয়েই ব্ল্যাকমেইল করত নাবালিকাদের, তাদের জোর করত দেহ ব্যবসায় নামতে। অনেকের ভিডিয়ো আবার অনলাইনে ভাইরালও করে দিয়েছে যুবক। সেই ভিডিয়ো বিক্রি করে টাকা কামিয়েছে।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে মূলত হোয়াটসঅ্যাপ ও স্ন্যাপচ্যাট গ্রুপের মাধ্যমেই নাবালিকাদের টার্গেট করত ওই অভিযুক্ত। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজ্যসভার সাংসদ অনিল বোন্দে সরাসরি পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্টের কাছে অভিযোগ জানান। যদি এই ঘটনার তদন্তে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম তৈরি না করা হয়, তাহলে তিনি এসপি-র অফিসের সামনে ধর্ণাতে বসবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে ১৯ বছর বয়সী ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে এবং তাঁকে আদালতে পেশ করে। আপাতত সাতদিন পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের তরফেও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবিতে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। সেখানে প্রচুর আপত্তিকর ভিডিয়ো পাওয়া গিয়েছে। অভিযুক্ত ওই ভিডিয়ো বন্ধু-বান্ধব বা কোনও ক্রিমিনাল সিন্ডিকেটের সঙ্গে ভাগ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে সাইবার ক্রাইমের সহায়তায়।

Follow Us