Special Intensive Revision: ফর্ম ৭ নিয়ে এত বচসা! ভোটার তালিকা সংশোধনে গুরুত্বপূর্ণ কেন?
Election Commission Of India: ফর্ম ৭ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি আবেদনপত্র। এর মূল উদ্দেশ্য হল ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বজায় রাখা। ভোটার তালিকায় যেসব নাম অযোগ্য বা ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, সেগুলি বাদ দেওয়ার জন্যই এই ফর্ম ব্যবহৃত হয়।

রাজ্যে চলছে এসআইআর বা স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন। ইতিমধ্যেই বেরিয়ে গিয়েছে খসড়া তালিকা। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে অনেক ভোটারকেই শুনানিতে ডাকছে নির্বাচন কমিশন। আর সেই প্রেক্ষিতে ফর্ম ৭ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি আবেদনপত্র। এর মূল উদ্দেশ্য হল ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বজায় রাখা। ভোটার তালিকায় যেসব নাম অযোগ্য বা ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, সেগুলি বাদ দেওয়ার জন্যই এই ফর্ম ব্যবহৃত হয়।
ফর্ম ৭ ব্যবহারের প্রধান কারণগুলি কী?
- প্রথমত, যদি কোনও ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় থাকার অযোগ্য হওয়ার পরও তাঁর নাম যদি তালিকায় থাকে বা ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়, সেই জায়গায় আপত্তি জানাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে ফর্ম ৭ জমা করা যায়।
- দ্বিতীয়ত, কোনও ভোটারের মৃত্যু হলে তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য এই ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়।
- তৃতীয়ত, যাঁরা স্থায়ীভাবে বিধানসভা কেন্দ্র বদল করেছে, তাঁদের ফর্ম ৭ প্রয়োজন। কোনও ব্যক্তির পুরনো কেন্দ্রের নাম মুছে ফেলতেও এই ফর্ম প্রয়োজন।
- চতুর্থত, একই ব্যক্তির একাধিক ভোটার রেজিস্ট্রেশন থাকলে তা বাতিল করার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়।
- পঞ্চমত, কোনও অযোগ্য ব্যক্তি—যেমন অ-নাগরিক বা নাবালক—ভুলভাবে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হলে তাঁর নাম অপসারণের আবেদন করা যায়।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি
ফর্ম ৭ জমা পড়ার পর ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ERO) একটি শুনানি করেন। সেখানে আবেদনকারীকে নাম বাতিলের পক্ষে প্রমাণ দিতে হয়। মনে রাখতে হবে, ফর্ম ৭–এ মিথ্যা তথ্য দেওয়া হলে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০–এর ৩১ নম্বর ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
ফর্ম ৭ জমা দেবেন কীভাবে?
আপনি অনলাইনে ভোটার্স সার্ভিস পোর্টাল অথবা ভোটার হেল্পলাইন অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই ফর্ম ৭ জমা করতে পারেন। সঠিক ও ভুয়ো ভোটার হীন ভোটার তালিকার জন্য দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
