AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court: ‘অনুপ্রবেশকারীদের কাছে আধার কার্ড থাকলেই সে ভোটার?’, SIR মামলায় বড় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

SC on SIR: সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের তরফে ফের একবার বলা হয়, "আধার কার্ড নাগরিকত্বের সম্পূর্ণ প্রমাণ করে না। সেই কারণেই আমরা বলেছিলাম যে এসআইআরের নথির মধ্যে একটি ডকুমেন্ট হবে আধার কার্ড। যদি কারোর নাম বাদ যায়, তাহলে তার নোটিস দিতে হবে।"

Supreme Court: 'অনুপ্রবেশকারীদের কাছে আধার কার্ড থাকলেই সে ভোটার?', SIR মামলায় বড় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের
প্রতীকী চিত্র।Image Credit: TV9 বাংলা
| Updated on: Nov 27, 2025 | 12:14 PM
Share

নয়া দিল্লি: এসআইআর মামলায় ফের প্রশ্নের মুখে আধার কার্ড। টাকা ফেললেই তৈরি হয়ে যাচ্ছে আধার কার্ড। অনুপ্রবেশকারীদের হাতেও রয়েছে আধার কার্ড। সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল। শীর্ষ আদালতের তরফে প্রশ্ন তোলা হল, যারা বৈধ নাগরিক নন, তাদের কাছে আধার কার্ড থাকলে, তাদেরও কি ভোটাধিকার দেওয়া উচিত? 

সুপ্রিম কোর্টের তরফে এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় বলা হয় যে সমস্ত রকমের সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প যাতে সকল মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, তার জন্য আধার কার্ড তৈরি করা। এই নথি ভোটাধিকার দেয় না। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চে পশ্চিমবঙ্গ সহ একাধিক রাজ্যে বিশেষভাবে নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআরের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলার শুনানি চলছিল।

সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের তরফে ফের একবার বলা হয়, “আধার কার্ড নাগরিকত্বের সম্পূর্ণ প্রমাণ করে না। সেই কারণেই আমরা বলেছিলাম যে এসআইআরের নথির মধ্যে একটি ডকুমেন্ট হবে আধার কার্ড। যদি কারোর নাম বাদ যায়, তাহলে তার নোটিস দিতে হবে।”

আধার আইনেও উল্লেখ করা হয়েছে যে এই নথি নাগরিকত্ব (Citizenship) বা বাসস্থানের প্রমাণ (Domicile) করে না। সে কথাই উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “আধার বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। কোনও ব্যক্তিকে রেশন পাওয়ার জন্য আধার কার্ড দেওয়া হলে, তাঁকে কি ভোটারও করে দেওয়া হবে? ধরুন কেউ প্রতিবেশী দেশের নাগরিক। এ দেশে শ্রমিক হিসাবে কাজ করেন।”

শীর্ষ আদালতের তরফে আরও বলা হয় যে ভোটার লিস্টে অন্তর্ভুক্তির জন্য ফর্ম-৬ আবেদনে জমা করা নথির সঠিক কি না, তা যাচাই করার অধিকার রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশন কোনও পোস্ট অফিস নয়।

পশ্চিমবঙ্গ, কেরল ও তামিলনাড়ুতে এসআইআর প্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জ করে যে মামলা হয়েছিল, সেই মামলায় নির্বাচন কমিশনকে ১ ডিসেম্বরের মধ্য়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে। মামলাকারীরাও রিজয়েন্ডার জমা দিতে পারেন। এই মামলায় রাজ্যের হয়ে লড়ছেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিবল। তিনি শীর্ষ আদালতে বলেন যে এসআইআর প্রক্রিয়া সাধারণ মানুষের উপরে অনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, “অনেক ভোটারই নিরক্ষর। ফর্ম পূরণ করা ভোটারদের দায়িত্ব নয়। অনেকেই নিরক্ষর। লিখতে, পড়তে জানেন না। যদি তারা ফর্ম পূরণ করতে না পারেন, তাহলে তাদের নাম বাদ পড়বে। ভোটার তালিকায় নাম থাকলে, তা বৈধ বলেই গণ্য করা হবে, যতক্ষণ না রাজ্য অন্য কথা বলছে। কোনও নাম বাদ পড়ার ক্ষেত্রে তা যুক্তিসঙ্গত ও নায্য প্রক্রিয়ায় হতে হবে।”

কপিল সিবাল বলেন, “আধার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমাণ না হলেও, এটা নাগরিকত্বের সপক্ষেই প্রমাণ দেয়। আমার কাছে আধার কার্ড আছে। এটা আমার বাসস্থান।  এই প্রক্রিয়ায় তা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।”

পাল্টা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী উল্লেখ করেন যে ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া জরুরি। আজ ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে।

Follow Us