AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court: ‘কাউকে বিশ্বাস করা উচিত নয়’, বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক নিয়ে সতর্ক করল সুপ্রিম কোর্ট

Supreme Court on Physical Relation Before Marriage: অভিযোগকারীণী জানিয়েছিলেন যে ওই ব্যক্তির জোরাজুরিতেই তিনি দুবাই গিয়েছিলেন। সেখানেও শারীরিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। অভিযোগ, ওই ব্যক্তি বিনা অনুমতিতে তাঁদের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিয়ো করে রেখেছিলেন।

Supreme Court: 'কাউকে বিশ্বাস করা উচিত নয়', বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক নিয়ে সতর্ক করল সুপ্রিম কোর্ট
| Updated on: Feb 17, 2026 | 4:50 PM
Share

নয়া দিল্লি: বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে সতর্ক করল সুপ্রিম কোর্ট। বিয়ের আগে ছেলে ও মেয়ে একে অপরের কাছে অপরিচিত। তাই শারীরিক সম্পর্কের আগে সতর্ক হওয়া উচিত। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের মামলায় এমনটাই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির।

চলতি সপ্তাহের সোমবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি বিভি নাগারত্ন ও বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের মামলায় জামিনের আবেদনের শুনানি চলছিল। এক মহিলা মামলা করেছিলেন যে ২০২২ সালে একটি বিয়ের ওয়েবসাইট থেকে পরিচয় হয়েছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন। দিল্লি ও পরে দুবাইতে গিয়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন।

অভিযোগকারীণী জানিয়েছিলেন যে ওই ব্যক্তির জোরাজুরিতেই তিনি দুবাই গিয়েছিলেন। সেখানেও শারীরিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। অভিযোগ, ওই ব্যক্তি বিনা অনুমতিতে তাঁদের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিয়ো করে রেখেছিলেন। শারীরিক সম্পর্কে আপত্তি করলে, সেই ভিডিয়ো ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিও দেন। পরে ওই মহিলা জানতে পারেন যে ওই ব্যক্তি আগে থেকেই বিবাহিত ছিলেন। ২০২৪ সালের ১৯ জানুয়ারি তিনি পঞ্জাবে অপর এক মহিলাকে বিয়ে করেন। এরপরই বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের মামলা করেন অভিযোগকারীণী।

মামলার শুনানিতে বিচারপতি নাগারত্ন বলেন, “হয়তো আমরা পুরনো দিনের মানুষ, কিন্তু বিয়ের আগে নারী ও পুরুষ অপরিচিত, তা সে যত গভীর বা পলকা সম্পর্কই হোক না কেন। আমরা বুঝি না কীভাবে বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। হয়তো আমরা ওল্ড ফ্যাশনড, তবে সতর্ক থাকা উচিত। বিয়ের আগে কাউকে বিশ্বাস করা উচিত নয়।

বিচারপতি নাগারত্ন অভিযোগকারীণীকে প্রশ্ন করেন যে মামলাকারীর সঙ্গে কেন তিনি দুবাইতে দেখা করতে গিয়েছিলেন? সরকারি কাউন্সিল যখন জানান যে মাট্রিমনিয়াল ওয়েবসাইটে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং তারা বিয়ের পরিকল্পনা করছিলেন, তখন বিচারপতি বলেন,  “যদি ওই মহিলা বিয়ে নিয়ে এত কঠোর মনোভাব নিয়ে ছিলেন, তাহলে বিয়ের আগে তাঁর (দুবাই) যাওয়া উচিত হয়নি।”

যেহেতু দুইজনের মধ্যে সম্মতিপূর্বক সম্পর্ক হয়েছিল, তাই এক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত করার কিছু নেই। আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে যে এই মামলা মধ্যস্থতার জন্য পাঠানো হতে পারে।

প্রসঙ্গত, এর আগে অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিনের আবেদন সুপ্রিম কোর্ট ও দিল্লি হাইকোর্টে হাজির হয়ে যায়। ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর হাই কোর্ট আবেদনকারীর জামিনের আবেদন খারিজ করে বলেছিল যে অভিযুক্ত বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও প্রথম থেকেই বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ছিল এবং ২০২৪ সালে সে ফের বিয়ে করে।