AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Madhya Pradesh Crime : কিশোরকে খুনের পর রক্ত পান, কেটে খেলেন মাংসও, ভয়াবহ ঘটনা

Madhya Pradesh Crime : প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মৃত কিশোরের মাথা থেকে যে রক্ত বেরিয়ে আসছিল, তা পান করতে শুরু করেন ওই অভিযুক্ত। এমনকী, কিশোরের দেহ থেকে মাংস কেটে খাওয়ারও চেষ্টা করেন। সবার চোখের সামনে ঘটনা ঘটলেও, কেউ এগিয়ে এসে প্রতিবাদ করেননি।

Madhya Pradesh Crime : কিশোরকে খুনের পর রক্ত পান, কেটে খেলেন মাংসও, ভয়াবহ ঘটনা
মধ্যপ্রদেশে ভয়াবহ ঘটনাImage Credit: Tv9 Bangla
| Updated on: Mar 06, 2026 | 4:21 PM
Share

ভোপাল : দিনের বেলা। রাস্তায় তখন অনেক লোক। হঠাৎ এক কিশোরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন এক ব্যক্তি। হাতে রড দিয়ে ওই কিশোরকে মেরেই চলেছেন। রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে কিশোরের দেহ। রক্তে ভেসে যাচ্ছে রাস্তা। আর সেই রক্ত পান করছেন অভিযুক্ত। এখানেই শেষ নয়। কিশোরের দেহ থেকে মাংস কেটে কেটে খাচ্ছেন। শিউড়ে ওঠার মতো ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের দামোহ জেলার সামান্যা গ্রামে। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে গুড্ডা প্যাটেল নামে এক অভিযুক্তকে।

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। মৃত কিশোরের নাম ভরত বিশ্বকর্মা। জানা গিয়েছে, কোনও অনুষ্ঠান উপলক্ষে দিদির বাড়ি যাচ্ছিল ওই কিশোর। দুপুর দেড়টা নাগাদ হঠাৎ গুড্ডু প্যাটেল নামে ওই অভিযুক্ত ভরতকে পিছন দিক থেকে আক্রমণ করেন। লোহার রড দিয়ে আক্রমণ করা হয় বলে অভিযোগ। তারপরই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে কিশোর। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি,তারপরও হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে ভরতের মাথায় বারবার আঘাত করতে থাকেন গুড্ডা। কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় ওই কিশোরের। তারপরই যা ঘটল তা আরও শিউড়ে ওঠার মতো।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মৃত কিশোরের মাথা থেকে যে রক্ত বেরিয়ে আসছিল, তা পান করতে শুরু করেন ওই অভিযুক্ত। এমনকী, কিশোরের দেহ থেকে মাংস কেটে খাওয়ারও চেষ্টা করেন। সবার চোখের সামনে ঘটনা ঘটলেও, কেউ এগিয়ে এসে প্রতিবাদ করেননি। গোটা ঘটনা মোবাইল ক্যামেরায় বন্দী করেন বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী। তারপর তা ভাইরাল হতেই আতঙ্ক তৈরি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলার পর অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে, গ্রামবাসীরা তাঁকে ধাওয়া করে ঘিরে ফেলেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছয়তেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ পৌঁছনোর পরেও অভিযুক্ত বেশ কয়েকজনের উপর আক্রমণ করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এদিকে, কিশোরের দেহ উদ্ধার করে দামোহের জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, কোনও উস্কানি ছাড়াই কিশোরের উপর আক্রমণ করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে জেলেও গিয়েছিলেন অভিযুক্ত। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তির কোনও মানসিক সমস্যা রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।