Purba Bardhaman: জলাশয়ের ধারে ওটা কী? হতবাক স্থানীয় বাসিন্দারা, ছুটে এল পুলিশ
Memari: এখনও পর্যন্ত শিশুটির নাম বা পরিচয় কিছুই জানা যায়নি। পুরোদমে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কথা বলা হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গেও। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ এবং সময় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে পুলিশ।

মেমারি: পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে জলাশয়ের ধার থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় শিশুর মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেমারি থানার বড় পলাশন ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কলাদিঘিরপাড় এলাকায় ওই জলাশয়ের ধারে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন এলাকার লোকজন। কিন্তু কে বা কারা ফেলে গিয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা। খবর চাউর হতেই ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়ে যায় এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকালে কয়েকজন গ্রামবাসী যখন মাঠের কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন জলাশয়ের ধারে শিশুটির দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তড়িঘড়ি মেমারি থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে। ইতিমধ্যেই দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এখনও পর্যন্ত শিশুটির নাম বা পরিচয় কিছুই জানা যায়নি। পুরোদমে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কথা বলা হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গেও। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ এবং সময় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে পুলিশ। মেমারি থানার পক্ষ থেকেই ইতিমধ্যেই পার্শ্ববর্তী থানাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির পরিচয় জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা জিয়ারুল রহমান মল্লিক বলেন, “মাঠের কাজ করতে ফেরার সময়ই দেখা যায় শিশুটি জলাশয়ের ধারে পড়ে আছে। এমন দৃশ্য দেখে আমরা স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম।” অন্য এক স্থানীয় বাসিন্দা মিন্টু শেখ বলেন, “এলাকায় আগে কখনও এমন ঘটনা ঘটেনি। শিশুটি কোথাকার বা তার পরিবারের কেউ আশেপাশে আছে কি না, তা আমরা বুঝতে পারছি না।”
