SC On TMC: প্রতিদিনের খরচ চালাতে টাকা তোলার অনুমতি কি আদৌ দেওয়া যায়? ইডি-র কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট
Supreme Court On TMC: এর আগে হাইকোর্টে কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষে দোলা সেন এবং ডেরেক ও’ব্রায়েন যে মামলা দায়ের করেছেন, সেই মামলা করার বৈধ আইনি অধিকার তাঁদের রয়েছে কি না, তা নিয়ে আপত্তি তোলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

নয়া দিল্লি: অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় শীর্ষ আদালতে ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিদিনের খরচ চালানোর জন্য কলকাতা হাইকোর্ট নিযুক্ত প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে থাকা তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে কিছু টাকা তোলার অনুমতি কি আদৌ দেওয়া যায়? এবার সে বিষয়ে ইডির কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে সওয়াল করেন, অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ থাকার কারণে কর্মীদের মাইনে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তখন বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তারা মূল মামলার মেরিট খতিয়ে দেখছেন না। এক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তির আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ইডির তরফে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু অভিযোগ করেন, সব অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়নি। প্রত্যেকদিন টাকার লেনদেন হচ্ছে। তখন তাঁকে চ্যালেঞ্জ করে কপিল সিব্বল বলেন, “একটি লেনদেনের প্রমাণ দেখান।” সওয়াল জবাব শেষে এই মামলায় তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে ইডির বক্তব্য জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী সপ্তাহে মঙ্গলবার পরবর্তী শুনানি।
এর আগে হাইকোর্টে কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষে দোলা সেন এবং ডেরেক ও’ব্রায়েন যে মামলা দায়ের করেছেন, সেই মামলা করার বৈধ আইনি অধিকার তাঁদের রয়েছে কি না, তা নিয়ে আপত্তি তোলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
আদালতে ইডির হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী এস. ভি. রাজু দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে এই মামলা দায়েরের জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে কি না, তার কোনও প্রমাণ আদালতের সামনে আনা হয়নি। তাঁর বক্তব্য, জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটিই দলের নীতিনির্ধারণী সংস্থা। ডেরেক ও’ব্রায়েন ওই কমিটির একজন সদস্য হলেও তিনি নিজে কোথাও উল্লেখ করেননি যে জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি তাঁকে এই মামলা করার অনুমতি দিয়েছে।
