Triangle Love Story: তলে তলে চলছিল সবটা, সত্য প্রকাশ পেতেই দুই প্রেমিকা বিষ খেল প্রেমিককে কাছে পেতে
বাপের বাড়ি ফিরে এসে ফের দিবাকরের সঙ্গে যোগাযোগ মেলামেশা শুরু করেন। সেই সময়ে সারদার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন দিবাকর।

প্রেম যে মানুষকে কোন মোড়ে গিয়ে দাঁড় করাবে তা বলা মুশকিল। ওই যে একটা কথা আছে না, ‘দিল্লি কা লাড্ডু, খেলেও পস্তাবেন, না খেলেও পস্তাবেন’। এও ঠিক তাই। একজন মানুষকে ভালোবেসে বিষ খেল একসঙ্গে দুই বান্ধবী। ঠিক কি হয়েছিল রেশমা-দিবাকর-সারদার মধ্যে?
মুদিগুব্বার বাসিন্দা রেশমা এবং কানেকালের বাসিন্দা সারদা। দুজনেই একে অপরের বন্ধু। তাদের আরেক বন্ধু বাথালাপল্লির বাসিন্দা দিবাকর।
তিনজনেই অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুরের একটি কলেজে পড়াশোনার করতো। ঘটনাচক্রে কলেজে পড়ার সময় রেশমার সঙ্গে সম্পর্কে ছিল দিবাকরের। কলেজ শেষ হওয়ার পরে ইতি হয় সেই সম্পর্কেরও। বছর দুয়েক আগেই অন্য একজনকে বিয়ে করেন রেশমা।
এর পরেই রেশমাকে ভুলে নতুন জীবন শুরু করার কথা ভাবেন দিবাকর। রেশমার কলেজের বন্ধু সারদার সঙ্গেই সম্পর্কে জড়ান দিবাকর। এত অবধি বিষয়টা ঠিকই ছিল। তিনজনেই নিজেদের নতুন জীবনে ব্যস্ত।
তবে বিয়ে করলেও সেই সম্পর্ক মন থেকে মেনে নিতে পারেননি রেশমা। ভুলতে পারেননি নিজের প্রেমিক দিবাকরকেও। অচিরেই ভেঙে যায় নতুন বিয়ে। অবশেষে স্বামীকে ছেড়ে চলে আসেন রেশমা।
বাপের বাড়ি ফিরে এসে ফের দিবাকরের সঙ্গে যোগাযোগ মেলামেশা শুরু করেন। সেই সময়ে সারদার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন দিবাকর। একই সঙ্গে দুই বান্ধবীর সঙ্গে প্রেম চালিয়ে যেতে থাকেন দিবাকর। অথচ ঘুণাক্ষরে একজনকে অন্যের বিষয়ে জানতে দেননি দিবাকর।
এদিকে রেশমা-সারদা কলেজের সময়ের ভাল বন্ধু। তাই নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ছিলই। একদিন ইনস্টাগ্রামে কথা বলতে বলতেই দিবাকরের পর্দা ফাঁস হয়। দু’জনেই বুঝতে পারেন তাঁরা একটি ছেলের সঙ্গে প্রেম করছেন। এরপরেই দিবাকরকে ফোন করেন তাঁরা। বার বার রেশমা এবং সারদার ফোনে অতিষ্ট হয়ে ফোন সুইচ অফ করে দেন দিবাকর।
দিবাকরের সঙ্গে কথা বলতে না পেরেই চরম সিদ্ধান্ত নেন দুই বান্ধবী। ঠিক করেন একসঙ্গে বিষ খাবেন দু’জনে। যে বেঁচে থাকবেন দিবাকর তাঁর। সুপার ভাসমল কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেন দু’জনে। বিষের প্রভাব মৃত্যু হয় সারদার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রেশমা। অনন্তপুর ওয়ান টাউন পুলিশ এই ত্রিকোণ প্রেমের গল্পের তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের সময় এই তথ্য উঠে আসে।
