
কলকাতা: এবার প্রোজেনি ম্যাপিং তালিকায় থাকা ভোটারদের নোটিস নির্বাচন কমিশনের। কমিশন জানিয়েছে, এক ব্যক্তির সঙ্গে ৬ জনের লিঙ্ক করানো হয়েছে এরকম সংখ্যা ২৪ লক্ষ। নাম মিলছে না ৫১ লক্ষ। বাবার বয়সের সঙ্গে ভোটারের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম এমন ৪ লক্ষ ৭৪ হাজার। বাবার বয়সের সঙ্গে বয়সের পার্থক্য ৫০ বছরের বেশি ৮ লক্ষ ৪১ হাজার। ঠাকুরদার বয়সের সঙ্গে ভোটারের বয়সের অসঙ্গতি ৩ লক্ষ।
মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর- এই রকম সীমান্তবর্তী জেলাগুলির অন্তত ৫০টি বিধানসভার ক্ষেত্রে প্রজেনি ম্যাপিংয়ের শতাংশ অস্বাভাবিক হারে বেশি বলে কমিশন সূত্রে খবর। এর আগে ৩০ লক্ষ ভোটারকে ডাকা হয়েছে শুনানিতে, যাঁরা ‘নো ম্যাপড’, এবার ডাকা হচ্ছে আরও ২৪ লক্ষকে।
এখনও পর্যন্ত ডেকে পাঠানো হচ্ছিল, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম নেই। এরকম বহু ভোটারের তথ্যও সামনে এসেছে, যাঁদের ২০০২ সালের তালিকায় নাম ছিল, তবুও তাঁরা শুনানিতে এসেছেন। এবার গত পরশু থেকে কমিশন ‘প্রজেনি ম্যাপড’দের নোটিস পাঠাতে শুরু করেছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যেই নোটিস পৌঁছে যাবে।
এদিকে, তথ্যগত অসঙ্গতি অর্থাৎ লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির সংখ্যা কমে দাঁড়াল ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার। এর আগে ওই সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৩৬ লক্ষ। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে এই বিষয়টি উত্থাপিত করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাইরে বেরিয়ে এসেও সাংবাদিক বৈঠকে এই লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, এই ভাবেই ‘ব্যাক এন্ডসে’ নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এখানেই ভোট চুরিরও অভিযোগ তুলেছিলেন অভিষেক।