Recruitment Scam: ইডির ডেরায় পার্থ ‘ঘনিষ্ঠ’ ভজা, এই ব্যক্তির বয়ান কেন এত জরুরি কেন্দ্রীয় এজেন্সির
ED Probe: মঙ্গলবার সকালে নিজের আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে গিয়ে হাজির হন পার্থ সরকার। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব। শেষে সন্ধেয় ইডির অফিস ছাড়েন পার্থ 'ঘনিষ্ঠ' ওই তৃণমূল কাউন্সিলর। জানা যাচ্ছে, ইডির অফিসে এদিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের চোখা চোখা প্রশ্নবাণের মুখোমুখি হন তিনি। সূত্রের খবর, আজ তাঁর বয়ান রেকর্ড করেছেন ইডির অফিসাররা।

কলকাতা: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় অবশেষে ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ‘ঘনিষ্ঠ’ কাউন্সিলর। তৃণমূল কাউন্সিলর পার্থ সরকার ওরফে ভজার রাজনৈতিক মহলে পার্থর ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিতি ছিল দীর্ঘদিন। মঙ্গলবার সকালে নিজের আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে গিয়ে হাজির হন পার্থ সরকার। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব। শেষে সন্ধেয় ইডির অফিস ছাড়েন পার্থ ‘ঘনিষ্ঠ’ ওই তৃণমূল কাউন্সিলর। জানা যাচ্ছে, ইডির অফিসে এদিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের চোখা চোখা প্রশ্নবাণের মুখোমুখি হন তিনি। সূত্রের খবর, আজ তাঁর বয়ান রেকর্ড করেছেন ইডির অফিসাররা।
জানা যাচ্ছে, অনেক দিন ধরেই এই কাউন্সিলর রয়েছেন ইডির স্ক্যানারে। সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় এজেন্সির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে একাধিক অভিযুক্তর মুখে এই কাউন্সিলরের নাম উঠে এসেছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বেশ ভালই ওঠাবসা ছিল বলে জানতে পেরেছেন ইডির অফিসাররা। সেক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতির আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কতদূর জানেন, পার্থর কাছে কারা টাকা দিতে আসত… সেই সবই বা তিনি কতটা জানেন, তা খতিয়ে দেখতে চাইছেন ইডির তদন্তকারী অফিসাররা।
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে, আজ পার্থ সরকার ওরফে ভজার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে পার্থর বয়ান আগে থেকেই আছে ইডির টিমের কাছে। এবার দু’জনের বয়ান মিলিয়ে দেখা হবে বলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে খবর। প্রসঙ্গত, রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে টাকার পাহাড় উদ্ধার করেছিল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতির এই টাকার হাতবদলের জন্য বেশ কিছু মিডলম্যানও ছিল। সেই মিডলম্যানরা কার মাধ্যমে টাকা পৌঁছে দিত, সেই মিডলম্যানদের সঙ্গে এই পার্থ সরকার ওরফে ভজার কোনও যোগ ছিল না, সেটিও খতিয়ে দেখছেন ইডির অফিসাররা।
