
কলকাতা: বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে ভবানীপুরে অভিনেতার বাড়িতে উপস্থিত হন অভিষেক। প্রায় ২ ঘণ্টা সেখানেই ছিলেন তিনি। পরে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, রঞ্জিত মল্লিকের বাড়িতে গিয়ে কোনও রাজনৈতিক কথা বলেননি তিনি। এদিন অভিষেকের সঙ্গে ছিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়।
বেরিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, আমার সঙ্গে ছোটবেলার একটা স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আমি প্রথম ছোটবেলায় যে সিনেমা দেখেছিলাম সেটার নাম ‘গুরুদক্ষিণা’। ওঁর অধিকাংশ সিনেমা রিলিজ হয়েছে আমার জন্মের আগে। ১৯৯২ সালে কালী বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মৃত্যু হয়। ওই সিনেমায় তিনি ছিলেন।
অভিষেক আরও বলেন, “আজ আমি রাজনীতির কথা বলতে আসিনি। তবে আমাদের টাকা কীভাবে আটকে রাখা হয়েছে, কীভাবে ১৫ বছর ধরে আমরা কাজ করেছি। সেটাই ওঁকে বলেছি।” কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি এদিন মমতা সরকারের ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ তুলে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেক যখন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন, তখন পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি এগিয়ে এসে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বলেন, “ওকে আমার খুব ভাল লাগে… খুব ভাল লাগে। এটুকুই বলব।”
‘উন্নয়নের পাঁচালি’ হল তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রচার অভিযান। গত ১৫ বছরে রাজ্যে মা-মাটি-মানুষের সরকার যে যে উন্নয়নমূলক কাজ করেছে, বিশেষত মহিলাদের জন্য গৃহীত প্রকল্পগুলি (যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী) লোককথার ঢঙে প্রচারের কৌশল। বিশেষত গ্রামের মহিলাদের মধ্যে প্রচার করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। লক্ষ্মীর পাঁচালির মতো গ্রাম-বাংলার মানুষের কাছে বিশেষ করে মহিলাদের কাছে তৃণমূলের উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের গান ও গল্পের খতিয়ান তুলে ধরা হয়।