AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

AIDSO নেত্রীদের ওপর ‘নৃশংস অত্যাচার’, মিলল না ইনজুরি রিপোর্ট কলকাতা মেডিক্যাল!

AIDSO: যাদবপুরকাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বামপন্থী সংগঠনগুলো। সেদিনই মেদিনীপুরের কোতোয়ালি থানার লকআপে ঘটে যায় নৃশংস ঘটনা! প্রতিবাদে সামিল হওয়ায় AIDSO-র মহিলা সদস্যের ওপর অকথ্য অত্যাচারের অভিযোগ।

AIDSO নেত্রীদের ওপর 'নৃশংস অত্যাচার', মিলল না ইনজুরি রিপোর্ট কলকাতা মেডিক্যাল!
চার নিগৃহীতাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 06, 2025 | 12:28 PM
Share

কলকাতা: যাদবপুর কাণ্ডের প্রতিবাদ করায় পুলিশের বিরুদ্ধে নৃশংস অত্যাচারের অভিযোগ। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চার AIDSO নেত্রীর শারীরিক পরীক্ষা হলেও মিলল না রিপোর্ট। বেল্টের মার, ঘুষি, লাঠি দিয়ে কাঁধ-কনুই-কোমরে মারার অভিযোগ কোতোয়ালি থানার ওসি-র বিরুদ্ধে। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে কোতোয়ালি থানা। শারীরিক পরীক্ষা করলেও কেন রিপোর্ট দিল না কোতোয়ালি থানা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে AIDSO।

AIDSO-র রাজ্য সভাপতি মণিশঙ্কর পট্টনায়েক বলেন, “মেডিক্যাল রিপোর্ট যেটাকে বলে, সেটা দিতে পশ্চিমবাংলার দুটি মেডিক্যাল কলেজ প্রত্যাখ্যান করেছে। অত্যন্ত অবহেলার সঙ্গে অবজ্ঞার সঙ্গে তাঁদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, সেটা নিন্দনীয়। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজেও পরীক্ষা করিয়ে আমরা চেষ্টা করি, যাতে একটা মেডিক্যাল রিপোর্ট পাওয়া যায়, কিন্তু সেখানেও যা ঘটেছে, তাতে বুঝতে পারছি, মেডিক্যাল কলেজগুলোর ভিতর কীভাবে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করা হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার কোনও রকম তদন্ত না করে, বেমালুম অস্বীকার করে গেলেন।”

যাদবপুরকাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বামপন্থী সংগঠনগুলো। সেদিনই মেদিনীপুরের কোতোয়ালি থানার লকআপে ঘটে যায় নৃশংস ঘটনা! প্রতিবাদে সামিল হওয়ায় AIDSO-র মহিলা সদস্যের ওপর অকথ্য অত্যাচারের অভিযোগ। অভিযোগ, দেওয়া হয় মোমের ছ্যাঁকা। চুল ধরে শূন্যে উঁচু করে পায়ের তলায় মার। চটুল বলিউডি গান চালিয়ে নাচতে বলে পুলিশ! এবার  ভয়ঙ্কর অভিযোগ করলেন এআইডিএসও-র নিগৃহীত সমর্থকরা। উঠে আসে লকআপে পুলিশের নৃশংস অত্যাচারের অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুলিশ সুপার।

পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার বলেন, “এরকম ঘটনার কোনও অবকাশই নেই। সেখানে যথেষ্ট পরিমাণ সিরিয়র অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন। মহিলা থানাতেই রাখা ছিল। রাতেই পরিবারের হাতে দিই। কেন এরকম অভিযোগ করছে জানি না। আমি বলব, একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের জেলার নেতৃত্ব এটাকে ইস্যু করার চেষ্টা করছে। ”

Follow Us