AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Garia: ‘ভোর বেলাতেই ওরা আসে’, ৮৫ বছর ধরে পুজো হয়ে আসছে, গড়িয়ায় সেই দূর্গাপুজো কমিটির ঘরেই হয়ে গেল ভয়ঙ্করকাণ্ড!

Garia: ক্লাবের পুজো কমিটির সম্পাদক বলেন, "উনি এখানকার দাদা, মস্তান। এখানে মাফিয়া রাজ চালাচ্ছেন। আমাদের পুজো অফিসটাকে দখল করার জন্য সকাল দলবল নিয়ে আসে। আগ্নেয়াস্ত্র বুকে ঠেকিয়ে ভাঙচুর চালায়। আমাকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখানো হয়েছে, আমাকে মারধর করা হয়েছে। আবার থ্রেটও করে গিয়েছে, প্রেসিডেন্ট, ক্যাশিয়ার, ক্লাব সেক্রেটারিকে মার্ডার করে দেব।" অমিত গঙ্গোপাধ্যায়কে অবিলম্বে গ্রেফতারির দাবি জানিয়েছেন তিনি। 

Garia: 'ভোর বেলাতেই ওরা আসে', ৮৫ বছর ধরে পুজো হয়ে আসছে, গড়িয়ায় সেই দূর্গাপুজো কমিটির ঘরেই হয়ে গেল ভয়ঙ্করকাণ্ড!
গড়িয়ায় পুজো কমিটির ঘরে ভাঙচুরImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 06, 2026 | 11:24 AM
Share

কলকাতা: গড়িয়া নবদুর্গা পুজো কমিটির অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ। বুকে কমিটির সম্পাদকের বুকে আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে টাকা লোপাটের অভিযোগ। এমনকি পুজো কমিটির ঘর দখলের চেষ্টাও হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় এক প্রোমোটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ক্লাবের। গড়িয়ার নবদূর্গা পুজো কমিটি ৮৫ বছর ধরে পুজো চালিয়ে আসছে। গড়িয়াতে একটি অফিস ঘর রয়েছে। শুক্রবার সকালে সেই ঘরেই ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। অমিত গঙ্গোপাধ্যায় নামে স্থানীয় এক প্রোমোটারের বিরুদ্ধে।

ক্লাবের সমস্ত জিনিস ভেঙে চুরমার করেছে দুষ্কৃতীরা। শুক্রবার সকালে ক্লাবে ঢুকে দেখা গিয়েছে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ধ্বংসস্তূপ। অভিযোগ, সকালে অমিত গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর দলবল নিয়ে আসে, তারপর বেপরোয়া ভাঙচুর চালায়।

ক্লাবের পুজো কমিটির সম্পাদক বলেন, “উনি এখানকার দাদা, মস্তান। এখানে মাফিয়া রাজ চালাচ্ছেন। আমাদের পুজো অফিসটাকে দখল করার জন্য সকাল দলবল নিয়ে আসে। আগ্নেয়াস্ত্র বুকে ঠেকিয়ে ভাঙচুর চালায়। আমাকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখানো হয়েছে, আমাকে মারধর করা হয়েছে। আবার থ্রেটও করে গিয়েছে, প্রেসিডেন্ট, ক্যাশিয়ার, ক্লাব সেক্রেটারিকে মার্ডার করে দেব।” অমিত গঙ্গোপাধ্যায়কে অবিলম্বে গ্রেফতারির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অভিযোগ, এই অমিতই এলাকার জলাভূমি ভরাট করে অবৈধ নির্মাণ চালাচ্ছেন। এদিকে অমিত গঙ্গোপাধ্যায়ের পাল্টা অভিযোগ, ক্লাবের সদস্যরাই তাঁর কাছে ৩০ লক্ষ টাকা চেয়েছেন। তাতে ক্লাবের সম্পাদকের বক্তব্য, “আসলে ও তো চিটিংবাজ, ওই কথা বলতেই পারে।” অভিযুক্ত প্রোমোটারের বক্তব্য, “আমি একজন ব্যবসায়ী। ওদের সঙ্গে আমাদের কোনও যোগ নেই। আমার ওখানে বড় প্রজেক্ট হচ্ছে, সেখানে ওরা ৩০ লক্ষ টাকা মহাদেব চক্রবর্তী চেয়েছিলেন। মহাদেব একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার। তিনি এইভাবে হপ্তা করে প্রচুর টাকা তুলত। ওই টাকা দিতে চাইনি। টাকা দিইনি বলে এই নাটকগুলো করছে।”