Kerosene in LPG Crisis: রাজ্যের জন্য ৪ হাজার লিটার কেরোসিন, LPG-র বিকল্প দিল কেন্দ্র
Kerosene Back in LPG Crisis: নয়াদিল্লি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই রেশন দোকানগুলিতে কেরোসিনের বণ্টন দেখা যেতে পারে। যা এই প্রকার জ্বালানি-আতঙ্কের আবহে প্রশংসনীয় সিদ্ধান্ত বলেই মত একাংশের। তবে তা যে স্থায়ী হবে এমনটা নয়। সাময়িক ভাবে কেরোসিনের গণবণ্টনে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। কতটা সময়ের জন্য এই ছাড়পত্র, তা এখনও জানা যায়নি।

কলকাতা: তৃণমূল স্তরে রান্নার গ্যাস নিয়ে আতঙ্ক। হাহাকার বললেও ভুল হবে না, এই পরিস্থিতিতে কেরোসিনকেই বিকল্প করে দিল কেন্দ্র। মধ্যপ্রাচ্য়ের সংঘাত পর্বে LPG নিয়ে যখন আতঙ্ক চরমে, সেই আবহে কেরোসিনে দেওয়া হল সাময়িক ছাড়পত্র। এবার থেকে সব রেশন দোকানেই মিলবে কেরোসিন। ২০২২ সাল থেকে রেশন দোকানে কেরোসিন তেল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল কেন্দ্র সরকার। মূলত, পরিবেশ দূষণকে সামনে রেখেই কেরোসিনের গণবণ্টনে বাধ তৈরি করেছিল মোদী সরকার। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধ যেন ফিরিয়ে আনল সেই কেরোসিনকেই।
এই সংকটকালে কেরোসিন তেলকে ফেরানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকে চিঠি লেখে ‘অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশন’ বা সহজ কথায় রেশন ডিলারদের সংগঠন। সেই চিঠির ভিত্তিতে পুনরায় মূলস্রোতে ফিরে এল কেরোসিন। মিলল ছাড়পত্র।
নয়াদিল্লি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই রেশন দোকানগুলিতে কেরোসিনের বণ্টন দেখা যেতে পারে। যা এই প্রকার জ্বালানি-আতঙ্কের আবহে প্রশংসনীয় সিদ্ধান্ত বলেই মত একাংশের। তবে তা যে স্থায়ী হবে এমনটা নয়। সাময়িক ভাবে কেরোসিনের গণবণ্টনে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। কতটা সময়ের জন্য এই ছাড়পত্র, তা এখনও জানা যায়নি। এদিন ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের জন্য় ৪ হাজার ১০০ কিলো লিটার কেরোসিন তেলে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের কাছে এই পরিমাণ তেল সংগ্রহের পরিকাঠামো রয়েছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে তেল তুলে নিতে হবে। তারপর রেশন ডিলাররাই তা সরবরাহ করবে না হয়।”
নয়াদিল্লির সিদ্ধান্তে রেশন ডিলাররা খুশি। কিন্তু তাঁদের আরও দাবি, এই সাময়িক ছাড়পত্রকে যেন পুনরায় স্থায়ী ছাড়পত্রে পরিণত করা হয়। ওই রেশন ডিলার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের কথায়, “গ্যাসের যা দাম, আমরা চাইব কেন্দ্র যেন এই কেরোসিন বণ্টন বন্ধ না করে দেয়। এলপিজি মূল্যবৃদ্ধি মানুষের জীবনের গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে।”
