Anandapur fire: আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা মোদীর
PM Narendra Modi on Anandapur fire: প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, "নরেন্দ্র মোদীজিকে আমি হৃদয় থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই। আনন্দপুরের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে প্রদত্ত এই আর্থিক সহায়তা নিঃসন্দেহে এক গুরুত্বপূর্ণ মানবিক পদক্ষেপ ও সহমর্মিতার দৃঢ় বার্তা বহন করে। এই সহায়তা গভীর শোক ও কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে মানসিক ও সামাজিক শক্তি জোগাবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।"

কলকাতা ও নয়াদিল্লি: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন তিনি। একইসঙ্গে শুক্রবার এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী জানান, অগ্নিকাণ্ডে জখমদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। মৃতদের পরিবারকে সমবেদনাও জানিয়েছেন মোদী। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি।
রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরে একটি গুদামে আগুন লাগে। চারদিন পর সবমিলিয়ে ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। তবে সবমিলিয়ে কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অগ্নিকাণ্ডের ২ দিনের মাথায় গ্রেফতার করা হয় ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে। কিন্তু, মোমো কোম্পানির বিরুদ্ধে কেন কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। অবশেষে ওই মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানা। এদিকে, এদিন আনন্দপুরে মিছিল করেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য, সরকারি চাকরি-সহ একাধিক দাবি জানান। মোমো কোম্পানির মালিককে কেন গ্রেফতার করা হবে না, সেই প্রশ্নও তোলেন।
আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক তরজা যখন বাড়ছে, তারই মধ্যে এদিন মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের আনন্দপুরে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। যাঁরা প্রিয়জনদের হারালেন, তাঁদের সমবেদনা জানাই। জখমদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।” এরপরই প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে। আর জখমদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।” প্রসঙ্গত, এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, প্রত্যেক মৃতের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “নরেন্দ্র মোদীজিকে আমি হৃদয় থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই। আনন্দপুরের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে প্রদত্ত এই আর্থিক সহায়তা নিঃসন্দেহে এক গুরুত্বপূর্ণ মানবিক পদক্ষেপ ও সহমর্মিতার দৃঢ় বার্তা বহন করে। এই সহায়তা গভীর শোক ও কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে মানসিক ও সামাজিক শক্তি জোগাবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।” এখানেই না থেমে সুকান্ত আরও লেখেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করে দেয়, যেকোনও কঠিন সময়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পাশে রয়েছেন।”
