AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Anandapur Fire Incident: চাবি ছিল, তবুও খুলতে পারেননি দরজা, হাতে আর ৫ মিনিট…দগ্ধ ভূমের শেষ মুহূর্ত

Kolkata Police on Anandapur Incident: ডেকরেটর্সের গুদামে ঢোকা-বেরনোর দু'টি গেট ছিল। অগ্নিকাণ্ডের মুহূর্তে সেই দু'টি গেটের কাছে থাকা টিনের চাল ভেঙে পড়ে। যার জেরে গেট দু'টি একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। শক্তি ব্যয় করেও সেই গেট খুলতে পারেন না ফুলের গেট সাজানোর কর্মীরা।বিকল্প গেটের সন্ধান করে তাঁরা। কিন্তু তাও মেলে না। সবশেষে টিনের চালটি ভেঙে বেরনোরও চেষ্টা করেছিলেন আটকে পড়া কর্মীরা। কিন্তু সেখানে গ্য়াস সিলিন্ডার ফেটে যায়। পুড়ে মৃত্যু হয় কর্মীদের।

Anandapur Fire Incident: চাবি ছিল, তবুও খুলতে পারেননি দরজা, হাতে আর ৫ মিনিট...দগ্ধ ভূমের শেষ মুহূর্ত
আনন্দপুর যেন বদ্ধভূমImage Credit: নিজস্ব চিত্র
| Edited By: | Updated on: Jan 27, 2026 | 1:07 PM
Share

কলকাতা: আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে অভিযোগ উঠেছিল, বাইরে থেকে দরজা লাগিয়ে দেওয়ার। নিখোঁজ কর্মীদের পরিবারের বেশ কয়েকজন কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল গুদামের মালিককে। তা হলে সেদিন কি আসলেই বাইরে থেকে দরজাটা কেউ বন্ধ করে দিয়েছিল? যার জেরে পুড়ে মরতে হয়েছিল ৮ কর্মীকে? নাকি নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ?

টানা ৩০ ঘণ্টার অধিক সময় ধরে দাউদাউ করে জ্বলেছে আনন্দপুরে স্থিতু এই কারখানা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল, এই কারখানায় মোট দু’টি গুদাম ছিল। যার মধ্য়ে একটি নামজাদা মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার। অন্যটি একটি ডেকরেটর্স সংস্থার। দু’টি সংস্থাই শুকনো খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত করায় কারখানার মধ্য়ে ঠাসা ছিল দাহ্য বস্তু। যা দিনশেষে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জুগিয়েছে বাড়তি অক্সিজেন। দাউদাউ করে জ্বলেছে পাম তেল, জ্বালিয়েছে গোটা কারখানাকে। এখনও পর্যন্ত ৮ কর্মীর মৃত্যু খবর পাওয়া গেলেও, বাকি ২৫ কর্মীর নিখোঁজ বলেই মনে করছে প্রশাসন। তবে পুড়েখাক হয়ে যাওয়া এই কারখানায় আদতেই কেউ বেঁচে রয়েছেন কিনা সেই নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।

ইতিমধ্য়েই এই ঘটনায় একটি প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করেছে পুলিশ। মনে করা হচ্ছে, জ্বলন্ত ওই কারখানায় বাইরে থেকে কেউ তালা মারেনি। বরং টিনের চাল ভেঙে পড়েই নাজিরাবাদের কারখানা বদ্ধভূমে পরিণত হয়। তাতেই পুড়ে মৃত্যু বেশ একাধিক কর্মী। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ডেকরেটর্সের গুদামে ঢোকা-বেরনোর দু’টি গেট ছিল। অগ্নিকাণ্ডের মুহূর্তে সেই দু’টি গেটের কাছে থাকা টিনের চাল ভেঙে পড়ে। যার জেরে গেট দু’টি একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। শক্তি ব্যয় করেও সেই গেট খুলতে পারেন না ফুলের গেট সাজানোর কর্মীরা।বিকল্প গেটের সন্ধান করে তাঁরা। তাও মেলে না। সবশেষে টিনের চালটি ভেঙে বেরনোরও চেষ্টা করেছিলেন আটকে পড়া কর্মীরা। কিন্তু সেখানে গ্য়াস সিলিন্ডার ফেটে যায়। পুড়ে মৃত্যু হয় কর্মীদের।

একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল মোমো সংস্থার গুদামের সামনেও। ওই গুদামের গেটের সামনেই জ্বলছিল আগুন। ফলত সেই গেটের চাবি নিজেদের হাতে থাকলেও আগুনের লেলিহান শিখার জেরে গেটের কাছ পর্যন্ত আসতে পারছিলেন না তিন মোমো সংস্থার কর্মী। সেখানেই আবার মজুদ করা হয়েছিল প্রচুর পাম তেল। কিছুক্ষণের মধ্যে সেগুলিতেও আগুন লেগে যায়। মৃত্যুর আগে প্রাণ বাঁচাতে গেট লাগোয়া একটি অফিসে ঠাঁই নিয়েছিলেন তাঁরা। সেখান থেকেই শেষবার কথা হয়েছিল পরিবারের সঙ্গে। হাজার চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি। কয়েক মিনিটের মধ্যে ওই ঘরেও ছড়িয়ে আগুনের শিখা। মৃত্যু হয় তাঁদের।