Suvendu Adhikari: আবাসের বাড়ি তৈরির পরও মিলবে অতিরিক্ত টাকা, কীভাবে? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
Suvendu Adhikari on Awas Project: শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "সিমেন্ট, স্টিল, বালির যা দাম, তাতে হয়তো আপনাদের বাড়ি সম্পূর্ণ করতে গেলে আরও কিছু টাকা দিতে হবে। তবে, প্রধানমন্ত্রী আমাদের বেশ কিছু সুযোগ করে দিয়েছেন। বিকশিত ভারত জিরামজি। এখানে কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। সেক্ষেত্রে আপনারা জিরামজি থেকে ম্যানপাওয়ার পেতে পারেন।"

কলকাতা: বৃহস্পতিবারই আবাস প্রকল্পে (Awas Yojana) দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকেছে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে। এদিন নবান্ন (Nabanna) থেকে দশজনের হাতে ৬০ হাজার টাকার প্রতীকী চেক তুলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে তাঁর বার্তা, যোগ্য ভারতীয় ছাড়া কাউকে সরকারি টাকা দেওয়া হবে না। অবৈধ উপভোক্তা বাদ দিতে সমীক্ষা করে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে, বাড়ি তৈরিতে আবাস যোজনার টাকা ছাড়াও আরও টাকা পেতে পারেন উপভোক্তারা। কীভাবে পাবেন সেই টাকা, তার উপায়ও বাতলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সিমেন্ট, স্টিল, বালির যা দাম, তাতে হয়তো আপনাদের বাড়ি সম্পূর্ণ করতে গেলে আরও কিছু টাকা দিতে হবে। তবে, প্রধানমন্ত্রী আমাদের বেশ কিছু সুযোগ করে দিয়েছেন। বিকশিত ভারত জিরামজি। এখানে কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। সেক্ষেত্রে আপনারা জিরামজি থেকে ম্যানপাওয়ার পেতে পারেন। এই বাড়িগুলি সম্পূর্ণ হলে একটি করে স্বচ্ছ ভারত মিশন-এর অন্তর্গত শৌচালয়ের জন্য ১২ হাজার টাকা করে পাবেন। এটা অতিরিক্ত পাওনা। তার সঙ্গে বিদ্যুতের বিল দিতে সমস্যা হলে প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পে যুক্ত হতে পারেন। তপশিলি জাতি-উপজাতিদের ক্ষেত্রে আমরা অতিরিক্ত ১৫ হাজার টাকা দেব। এই সুযোগগুলি কাজে লাগিয়ে বাড়িগুলি ভালোভাবে নির্মাণ করুন।”
প্রকল্পের নাম পরিবর্তন নিয়ে কী বললেন?
বিগত সরকারের দেওয়া ‘বাংলার বাড়ি’ নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। গতকালই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার নাম পরিবর্তন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা মন্ত্রিসভা বসে ঠিক করেছি, পশ্চিমবঙ্গ নামটার ব্যাপক একটা ঐতিহ্য লুকিয়ে রয়েছে। কারণ বিভীষিকাময় দেশভাগ যখন হয়েছিল ১৯৪৭ সালে, সেদিন আমাদের পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার চক্রান্ত হয়েছিল। সেদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান দ্বিখন্ডিত হয়। তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিম নামটা আমরা কোনও দিন মুছে দিতে পারি না। অনেক ইতিহাস লুকিয়ে রয়েছে। যা বর্তমান প্রজন্ম ও পরবর্তী প্রজন্মের জানার প্রয়োজন। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটি পশ্চিমবঙ্গ আবাস নামে পরিচিত হবে।”
