Tension in Bansdroni: নাবালককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উত্তাল বাঁশদ্রোণী, গ্রেফতার ৪
Bansdroni: রবিবারই পরিবারের তরফে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় একটি রিহ্যাব সেন্টারের যোগাযোগ করা হয়। গাড়ি নিয়ে রিহ্যাব সেন্টারের কর্মীরা নাবালককে নিয়ে যাওয়ার জন্য পৌঁছায়। সূত্রের খবর, বাড়ি থেকে নাবালককে একপ্রকার জোর পূর্বক বের করে নিয়ে গাড়িতে তোলেন রিহ্যাব সেন্টারের কর্মীরা।

কলকাতা: মানসিক উদ্বেগগ্রস্থ এক নাবালককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ। মৃত নাবালকের পরিবারের তরফে করা অভিযোগের ভিত্তিতে রিহ্যাব সেন্টারের চার কর্মীকে গ্রেফতার করল বাঁশদ্রোণী থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, বাঁশদ্রোণী থানা এলাকার বাসিন্দা দম্পতির ছেলে বিগত বেশ কিছুদিন যাবৎ মানসিক উদ্বেগ সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিলেন। বাড়িতে প্রায়শই নানাধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতো ওই নাবালক। তাতেই উদ্বেগ বাড়ছিল পরিবারে। সেকারণেই অন্যত্র চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
রবিবারই পরিবারের তরফে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় একটি রিহ্যাব সেন্টারের যোগাযোগ করা হয়। গাড়ি নিয়ে রিহ্যাব সেন্টারের কর্মীরা নাবালককে নিয়ে যাওয়ার জন্য পৌঁছায়। সূত্রের খবর, বাড়ি থেকে নাবালককে একপ্রকার জোর পূর্বক বের করে নিয়ে গাড়িতে তোলেন রিহ্যাব সেন্টারের কর্মীরা। গাড়িতে মারধর করারও অভিযোগ রয়েছে।
কিছু সময় পর রিহ্যাব সেন্টারের কর্মীরা নাবালকের পরিবারকে ফোন করে জানায় আপনাদের ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছে, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নাবালককে এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। খবর চাউর হতেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো শোরগোল শুরু হয়ে যায়। এরইমধ্যে মৃত নাবালকের পরিবারের তরফে বাঁশদ্রোনি থানা লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে রিহ্যাব সেন্টারের চার কর্মীকে গ্রেফতার করে। পুলিশ বলছে, নির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়েই তাঁরা তদন্ত শুরু করেছেন। গ্রেফতারও হয়েছে। আপাতত ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে নাবালকের দেহ। অপেক্ষা রিপোর্টের। রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর বিষয়ে ধোঁয়াশা অনেরটাই কাটবে বলে মনে করা হচ্ছে।
