
কলকাতা: ভোটের (Bhabanipur By-Election) সকালে রাজ্যের দুই মন্ত্রীর ভোট চেয়ে টুইট ঘিরে নতুন করে তৈরি হল বিতর্ক। ইতিমধ্যেই বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়েছে। বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষের অভিযোগ, “পশ্চিমবঙ্গের শাসন ব্যবস্থাকে তাঁরা (তৃণমূল নেতৃত্ব) যে নিজেদের বলেই মনে করেন এবং তাঁরা যে কোনও কিছুর তোয়াক্কা করেন না, এটা তারই প্রমাণ। বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা ঘুরছেন, প্রচার করছেন, যাঁরা ভোট দিতে যাচ্ছেন কথা বলছেন। তাঁরা টুইটে ভোটও চাইছেন। এটা ভয়ঙ্কর একটা ঘটনা।’
রুদ্রনীল ঘোষের কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের দাবি করে টুইটারে ভোট চাওয়া হয়েছে। এটা তো একটা বাচ্চা ছেলেও বোঝে। উনি তো শাসকদলের মন্ত্রী। উনি কি করে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন? এটা তো নির্বাচন কমিশনের নীতি বিরুদ্ধ।”
বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের সুরে সুর মিলিয়ে রুদ্রনীল অভিযোগ তোলেন, কলকাতা পুলিশের একাংশ সিভিল ড্রেসে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটাররা যাতে ভোট না দেন তার জন্য বলছে। রুদ্রনীলের কথায়, “মানুষ যাতে ভোট দিতে না পারে তার জন্য নানা ফন্দিফিকির করেছে তৃণমূল। পুলিশের একাংশকে সাদা পোশাকে বিভিন্ন বাড়ির সামনে গিয়ে ভোট যাতে না দেন, সেরকম বন্দোবস্ত করার চেষ্টা করছে। উর্দিধারী পুলিশরাও কিন্তু এই কাজ থেকে বিরত নেই। আমি জানি না এর মধ্যে আসল পুলিশ কতজন। আর প্রশান্ত কিশোরের নট্টকোম্পানি থেকে ভাড়া করা পুলিশ কত রয়েছে।”
একইসঙ্গে রুদ্রনীলের দাবি, “২০২১-এ আমি যখন ভোটে দাঁড়ালাম তখনও কী কী হয়েছে সবাই দেখেছে। ওদের যদি জেতাটা এতই সোজা ছিল তা হলে আমাকে মিডিয়ার সামনে আক্রমণের শিকার হতে হতো না। হুমকি খেতে হতো না। গণনার ক্ষেত্রেও প্রবল জালিয়াতি করা হয়েছে।”