Biman Bose: আরাবুলকে কি শেষ পর্যন্ত মেনে নিতে পারলেন বিমান বসু? কী জবাব দিলেন
CPIM: বামকর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় আরাবুলের নাম উঠেছে একাধিকবার। সেই আরাবুলের হয়ে প্রচার করাটা যে বামেদের জন্য অস্বস্তির হবে, তা নিয়ে আলিমুদ্দিনে আলোচনা হয়েছে। নওশাদকেও সেই বার্তা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নওশাদ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আইএসএফের নীতি, অন্য কোনও দল ঠিক করে দেবে না।

কলকাতা: আইএসএফের সঙ্গে সিপিএমের জোট নিয়ে অনেক জটিলতা তৈরি হয়েছিল। শরিকদের ক্ষোভের মুখেও আইএসএফের অনেক সিদ্ধান্তই মেনে নিতে হয়েছে বামেদের। প্রাথমিকভাবে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম প্রকাশ্য়ে আপত্তি জানালেও, শেষ পর্যন্ত মেনে নিতে হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর সিদ্ধান্ত। এমনকী কোনও কোনও আসনে বামেরা প্রার্থী দেওয়ার পরও প্রার্থী দিয়েছে আইএসএফ। কিন্তু আরাবুল ইসলামকে নিয়ে আপত্তি প্রকট হয়ে ওঠে বামেদের তরফে। শেষ পর্যন্ত কি মেনে নিতে পারলেন?
একসময় ভাঙড়ের দাপুটে নেতা আরাবুলের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ তুলেছেন বামেরা। বামকর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় আরাবুলের নাম উঠেছে একাধিকবার। সেই আরাবুলের হয়ে প্রচার করাটা যে বামেদের জন্য অস্বস্তির হবে, তা নিয়ে আলিমুদ্দিনে আলোচনা হয়েছে। নওশাদকেও সেই বার্তা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নওশাদ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আইএসএফের নীতি, অন্য কোনও দল ঠিক করে দেবে না।
TV9 বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাবুল প্রসঙ্গে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু সরাসরি বললেন, “না মেনে নেওয়া যায় না। তবে ওদের বক্তব্য, ওদের পার্টি, ওরা ঠিক করবে যে কাকে প্রার্থী করা হবে। আবার এটাও সত্য যে ইলেকটোরেট বলে একটা কথা আছে। ভোটারদের কাছে ভাল বার্তা গেল কি না, সেই প্রশ্ন থেকে যায়।”
তৃণমূল ছেড়ে আইএসএফে যোগ দেওয়ার পর ক্যানিং পূর্ব আসন থেকে টিকিট পেয়েছেন আরাবুল ইসলাম। এই প্রসঙ্গে আগেই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, ‘সেলিম, বিমান বসুরা আরাবুলের হয়ে প্রচার করবেন, ভেবেও রোমাঞ্চ লাগছে।’
