AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Debangshu Bhattacharya: ‘তৃণমূল সমর্থকদের বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে’, SIR-র নোটিস পেতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন দেবাংশু

SIR in Bengal: রাজ্যের বড় অংশের মানুষকে লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সির জন্য শুনানিতে ডাকছে কমিশন। তা নিয়েও যদিও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তৃণমূল নেতারা। সুর চড়িয়েছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেবাংশু বলছেন তাঁদের পরিবারের কারও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির প্রশ্নই নেই।

Debangshu Bhattacharya: ‘তৃণমূল সমর্থকদের বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে’, SIR-র নোটিস পেতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন দেবাংশু
ক্ষোভে ফুঁসছেন দেবাংশু Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 25, 2026 | 12:28 PM
Share

কলকাতা: আগেই এসআইআর-এর নোটিস গিয়েছিল অভিনেতা-সাংসদ দেবের কাছে। এরইমধ্যে নোটিস গিয়েছে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর কাছেও। নোটিস পেয়েছেন সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত। এবার নোটিস গেল তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্যের কাছে। আর নোটিস পেতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন এই যুব নেতা। তাঁর সাফ কথা, “এআই দিয়ে তৃণমূল সমর্থকদের প্রোফাইল ট্র্যাক করা হচ্ছে। তারপর সেই লিস্ট বিজেপি তুলে দিচ্ছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। পুরোটাই তৃণমূল সমর্থকদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত।” 

দেবাংশু বলছেন, “আমাকে ২৭ জানুয়ারি যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আমি একা নই। আমি আমার দিদি-সহ আমাদের পরিবারের ৪ জন ডাক পেয়েছেন। এখনও পর্যন্ত চারজন ডাক পেয়েছি। আমি এটুকু বলতে পারি আমার কাকু-কাকিমা এবং মা-বাবা প্রত্যেকেরই ২০০২ সালের তালিকায় নাম ছিল। সেই সূত্রে আমাদের প্রোজেনি ম্যাপিং হয়েছে। সে কারণেই ৫৮ লাখের তালিকায় আমাদের কারও নাম আসেনি। অর্থাৎ আমরা পাশ করে গিয়েছিলাম।”

এদিকে রাজ্যের বড় অংশের মানুষকে লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সির জন্য শুনানিতে ডাকছে কমিশন। তা নিয়েও যদিও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তৃণমূল নেতারা। সুর চড়িয়েছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেবাংশু বলছেন তাঁদের পরিবারের কারও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির প্রশ্নই নেই। তাঁর কথায়, “আমার মা-বাবা, দিদি, আমার প্রত্যেকের নামের বানান, বয়সের ক্ষেত্রেও কোনও কার্ডের সঙ্গে কোনও কার্ডের গড়মিল নেই। শিশিরবাবুর মতো কুমার মাঝখানে ঢোকেনি নতুন করে। চন্দ্রও ঢোকেনি, বা চন্দ্র কুমার বাদ গিয়েছে, এমন কিছুই হয়নি। আমার ডেট অফ বার্থও ঠিক আছে। তাও কেন নোটিস পাঠানো হল সেটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নই।” 

এরইপরেই বিজেপির বিরুদ্ধে লাগাতার সুর চড়ালেন তিনি। সুর চড়ালেন কমিশনের বিরুদ্ধেও। পদ্ম শিবিরের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ট্রাক করিয়ে খোঁজার চেষ্টা করছে কারা তৃণমূল সমর্থক। তৃণমূল সমর্থক তো বটেই তাঁদের পরিবারের কাছেও নোটিস পাঠানো হচ্ছে। ১০জনের কাছে নোটিস গেলে তার মধ্যে ৮ জনই তৃণমূল। এই কাজটা বিজেপি এআই এর মাধ্যমে করছে। সরাসরি নির্বাচন কমিশনের হাতে তুলে দিচ্ছে। এদের উদ্দেশ্যই তৃণমূল সমর্থকদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া।”