AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Calcutta High Court: ‘নিয়োগকর্তাকে কর্মচারী কীভাবে প্রস্তাব মানতে বাধ্য করে?’, পুর নির্বাচন মামলায় স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

Calcutta High Court on Municipal Election: বিচারপতি হীরণ্ময় ভট্টাচার্য রাজ্য সরকারকে হলফনামা দিতে বলেছিলেন। কোনও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি। এরপরই সিঙ্গল বেঞ্চের ওই অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় ডিভিশন বেঞ্চে। এদিন মামলা শোনে ডিভিশন বেঞ্চে।

Calcutta High Court: 'নিয়োগকর্তাকে কর্মচারী কীভাবে প্রস্তাব মানতে বাধ্য করে?', পুর নির্বাচন মামলায় স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের
কলকাতা হাইকোর্টImage Credit: Bhaswaran BhattacharyaUniversal Images Group via Getty Images
| Edited By: | Updated on: Nov 04, 2026 | 6:44 PM
Share

কলকাতা: কলকাতা পুরসভার (KMC) নির্বাচন ঘোষণায় অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে কলকাতার ওয়ার্ড সংখ্যা ২০৯ কীভাবে করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে একটি মামলা হয় আদালতে। সিঙ্গল বেঞ্চ কোনও স্থগিতাদেশ না দেওয়ায় পুরভোট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা ছিল না। পরে মামলা যায় ডিভিশন বেঞ্চে। বুধবার সেই মামলায় অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট। অর্থাৎ আপাতত বর্ধিত আসনে পুরভোট ঘোষণা করা যাবে না।

বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি অর্জুন রায় মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। ওয়ার্ডের এই পুনর্বিন্যাস আইন মেনে হয়নি বলে অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা হয়। আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য দাবি করেছিলেন, এই ডিলিমিটেশন আদতে শহরবাসীর ঘাড়ে অতিরিক্ত খরচের বোঝা। জনসংখ্যা অনুযায়ী সব ওয়ার্ডের বিন্যাস সঠিকভাবে হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ছিল, শেষ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বা শাসক দল যে জায়গায় যেমন ভোট পেয়েছে সেই মতো বিন্যাস হয়েছে।

বিচারপতি হীরণ্ময় ভট্টাচার্য রাজ্য সরকারকে হলফনামা দিতে বলেছিলেন। কোনও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি। এরপরই সিঙ্গল বেঞ্চের ওই অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় ডিভিশন বেঞ্চে। এদিন মামলা শোনে ডিভিশন বেঞ্চে।

এদিন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য উল্লেখ করেন, “পুরকমিশনারের নিয়োগকর্তা রাজ্য।” নিয়োগকর্তাকে তার কর্মচারী কীভাবে প্রস্তাব মানতে বাধ্য করতে পারে? সেই প্রশ্ন তুলেছে আদালত। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, রাজ্য স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ডিলিমিটেশন করতেই পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রশাসক হিসেবে পুরকমিশনার কীভাবে ডিলিমিটেশন বাধ্যতামূলকভাবে করার প্রস্তাব রাজ্যকে দিতে পারে।

আগামী ৬ নভেম্বর পর্যন্ত অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ ডিভিশন বেঞ্চের। ৬ নভেম্বর এই মামলায় রায় দেবে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

Follow Us