High Court: ‘আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বুঝে নিতে হবে’, কলকাতার চিনা পাড়ার এই স্কুল নিয়ে বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত নির্দেশ দেয় যে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বিশেষ অফিসারকে সিআইএসএফ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ওই ঘরগুলির দখল নিতে হবে। ঘর হস্তান্তরের সময় সিআইএসএফ-এর গ্রুপ কমান্ডান্টকে সশরীরে স্কুলে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

কলকাতা: ট্যাংরার পেই মে চাইনিজ হাইস্কুলকে নববর্ষ পালনের জন্য ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি চিনা নববর্ষ পালনের জন্য ওই স্কুলের কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করার জন্য হাইকোর্টের বিশেষ অফিসার নিয়োগ।
আজ, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে স্কুলের ১০টি ঘর বাদে বাকি সমস্ত অংশ সিআইএসএফ (CISF)-এর গ্রুপ কমান্ডান্টের কাছ থেকে বুঝে নেওয়ার জন্য বিশেষ অফিসার (Special Officer) নিয়োগ করলেন হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত নিযুক্ত বিশেষ অফিসার তথা আইনজীবী অর্জ্য নন্দী সেই ঘরগুলি বুঝে নেওয়ার পর স্কুল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেবেন। স্কুল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী সপ্তাংশু বসু আদালতকে জানান যে এখনও পর্যন্ত কোনও ঘরই তাঁদের হস্তান্তর করা হয়নি।
কলকাতার চিনেপাড়া বলে পরিচিত ট্যাংরা। সেখানে বহু চিনা মানুষের বসবাস। ছোটদের জন্য রয়েছে একটি চিনা স্কুলও। তারই নাম পেই মে চাইনিজ স্কুল। ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি – এত দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ পেই মে স্কুলটিও। এতদিন ধরে এখানে রয়েছেন সিআইএসএফ জওয়ানরা। সেই স্কুল নিয়েই ছিল বিতর্ক।
আরজি কর আবহে নিরাপত্তাজনিত কারণে যে সিআইএসএফ মোতায়েন করা হয়েছিল, তারাই এই স্কুলে থাকতেন। এখনও পর্যন্ত স্কুল খালি না করায় মামলা হয় হাইকোর্টে।
উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত নির্দেশ দেয় যে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বিশেষ অফিসারকে সিআইএসএফ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ওই ঘরগুলির দখল নিতে হবে। ঘর হস্তান্তরের সময় সিআইএসএফ-এর গ্রুপ কমান্ডান্টকে সশরীরে স্কুলে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
