
কলকাতা: রক্তহীন ভোটের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি রয়েছে। ভোটের আবহে প্রাণহানি, অগ্নিসংযোগ, ভয় দেখানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে মহিলাদের ওপর নির্যাতনের কথাও। অতি স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হয়েছে। যাতে সব বুথে সিসিটিভি ও ভিডিয়োগ্রাফি বাধ্যতামূলক করা হয়, তার দাবি জানিয়েছেন মামলাকারী। মামলাকারীর আবেদন, ছাব্বিশের নির্বাচনে যাতে একুশের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি তৈরি না হয়, যাতে প্রাক ও পরবর্তী হিংসার অভিযোগ রাজ্যের কোনও জায়গা থেকে না উঠে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এবারের নির্বাচন যাতে সুষ্ঠ ও হিংসাহীন হয়, তা করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশনও। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ছাব্বিশের নির্বাচন হিংসা ও চাপমুক্ত করতে হবে।
সোমবার রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কোনও ভোটারের ওপর চাপ দেওয়ায়ও সহ্য করা হবে না। আগে যে প্রাক ও পরবর্তী ভোট হিংসা হত, আশা করছি, এবারের নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, সেটা এবার হবে না।” যদি কারোর বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপ করা হবে বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন CEC।
তারপরই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বিরোধীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠছে। বিজেপির রথযাত্রাতেও হামলার অভিযোগ উঠছে রাজ্যের একাধিক প্রান্তে। সেই প্রেক্ষিতে নতুন করে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে।