AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

HC On Detention Camp: ‘মৃত বাবার ছেলে প্রমাণ করতে না পারলে বাংলাদেশি?’, বিচারপতির মুখে উঠে এল ৭০-এর দশকের কথা

HC On Detention Camp: বিচারপতি আরও মন্তব্য করেন, "কেউ যদি তাঁর মৃত বাবার সন্তান হওয়ার প্রমাণ তাৎক্ষণিকভাবে তুলে ধরতে না পারেন, তবে কি তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলাদেশি হয়ে যান? কে বেআইনিভাবে প্রবেশ করেছেন, সেই সিদ্ধান্ত কি পুরোপুরি পুলিশ কর্তৃপক্ষের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে?"

HC On Detention Camp: 'মৃত বাবার ছেলে প্রমাণ করতে না পারলে বাংলাদেশি?', বিচারপতির মুখে উঠে এল ৭০-এর দশকের কথা
কলকাতা হাইকোর্টImage Credit: Bhaswaran BhattacharyaUniversal Images Group via Getty Images
| Edited By: | Updated on: Oct 08, 2026 | 7:35 PM
Share

কলকাতা: প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কোনও ব্যক্তিকে আটকে রাখা যায় না—বাংলাদেশি সন্দেহে এক ব্যক্তিকে ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো সংক্রান্ত মামলায় তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাই কোর্টের। শুনানি চলাকালীন ১৯৭০-এর দশকের সীমান্ত পারাপারের প্রসঙ্গ তুলে পুলিশ এবং এফআরআরও (FRRO)-র ভূমিকা নিয়ে একাধিক কড়া প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।

আদালতের কড়া প্রশ্ন ও পর্যবেক্ষণ

শুনানিকালে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন করেন, “১৯৭০-এর দশকে কতজন সীমান্ত পার হয়ে এসেছিলেন? এটা কি আদৌ সম্ভব যে তাঁদের সবাইকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া যাবে?” আধার কার্ড ও প্যান কার্ড বাতিল না হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে এফআরআরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ‘বাংলাদেশি’ হিসাবে চিহ্নিত করল, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে আদালত।

বিচারপতি আরও মন্তব্য করেন, “কেউ যদি তাঁর মৃত বাবার সন্তান হওয়ার প্রমাণ তাৎক্ষণিকভাবে তুলে ধরতে না পারেন, তবে কি তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলাদেশি হয়ে যান? কে বেআইনিভাবে প্রবেশ করেছেন, সেই সিদ্ধান্ত কি পুরোপুরি পুলিশ কর্তৃপক্ষের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে?” আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, কোনও ব্যক্তিকে নির্বাসিত বা আটকে রাখার আগে কর্তৃপক্ষের উচিত তাঁর জাতীয়তা প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক যাবতীয় নথি ও তথ্য সঠিকভাবে বিবেচনা করা।

ঘটনার প্রেক্ষাপট

 উল্লেখ্য, গত ৮ই অগস্ট রানিনগর থানার পুলিশ বাংলাদেশি সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে ১০ই অগস্ট তাঁকে ডিটেনশন সেন্টারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ না মেনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া হয়।

রাজ্যের সওয়াল ও বিচারপতির সিদ্ধান্ত

 রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল (এএজি) রাজদীপ মজুমদার আদালতে জানান, এই ধরনের ভুয়ো নথি থাকা বহু মানুষ আটক হয়েছে এবং এই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানান, এই সংক্রান্ত সমগোত্রীয় অন্যান্য মামলা অন্য বিচারপতির এজলাসে চলছে।

সব তথ্য খতিয়ে দেখার পর মামলাটি তাঁর এজলাসের এক্তিয়ারভুক্ত নয় জানিয়ে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মামলাটি ছেড়ে দেন এবং নির্দিষ্ট এক্তিয়ারভুক্ত এজলাসে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Follow Us