AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Calcutta High Court: সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

Journalist Attack: আদালতে আবেদন করা হয়, ছাত্র বা কোনও আন্দোলনের বিপক্ষে নয়। রাজ্য একটি গাইডলাইন তৈরি করুক। যাতে মিছিলে কোনও দুষ্কৃতীমূলক কাজ না হয়। কোনও অসামাজিক কাজ হলে, সেটার দায় রাজনৈতিক দল বা আয়োজকদের নিতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয় আবেদনে।

Calcutta High Court: সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের
নিট নিয়ে মামলা দায়ের কলকাতা হাইকোর্টে।Image Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Jul 29, 2026 | 4:55 PM
Share

কলকাতা: নিট ইস্যুতে মিছিলে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কী পদক্ষেপ করেছে রাজ্য, সেটা নিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে মিটিং মিছিল, দুষ্কৃতীমূলক কাজ নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে গাইডলাইন বা এসওপি (sop) তৈরি করার বিষয়ে রাজ্যের কাছে অবস্থান জানতে চাইল কোর্ট। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

গত শুক্রবার নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে মিছিল নামে কলকাতার রাস্তায়। সেই মিছিলে আক্রান্ত হন একাধিক সাংবাদিক। ভিড়ের মাঝে তাঁদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। সেই মিছিলে আহত এক সাংবাদিক মামলা করেন কলকাতা হাইকোর্টে। আজ, বুধবার সেই মামলায় রিপোর্ট তলব করলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও।

আদালতে আবেদন করা হয়, ছাত্র বা কোনও আন্দোলনের বিপক্ষে নয়। রাজ্য একটি গাইডলাইন তৈরি করুক। যাতে মিছিলে কোনও দুষ্কৃতীমূলক কাজ না হয়। কোনও অসামাজিক কাজ হলে, সেটার দায় রাজনৈতিক দল বা আয়োজকদের নিতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয় আবেদনে।

ইতিমধ্যেই ছাত্র আন্দোলন নিয়ে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পুলিশি অত্যাচারের তদন্তের জন্য ‘হাই পাওয়ার’ তদন্ত কমিটি গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এছাড়া, ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ, অত্যাচারের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের থেকে রিপোর্ট তলব করল সুপ্রিম কোর্ট। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কেরলম, বিহার, অসম, উত্তর প্রদেশ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কোনও ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলেও রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সূর্য কান্ত।

Follow Us