AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hooghly: মহিলা দিয়েছিল সুপারি, তৃণমূল নেতাকে ছক কষে খুন, ৭ দোষীর হল বড় সাজা

TMC leader Dilip Ram Murder Case: তৃণমূল নেতা দিলীপ রাম রোজ ব্যান্ডেল স্টেশনের পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে নৈহাটি লোকাল ধরতেন। নৈহাটিতে রেলের অফিসে চাকরি করতেন তৃণমূল এই নেতা। সেদিনও সকাল ৯টা নাগাদ ট্রেন ধরতে পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ওঠার সময় রেললাইনে তাঁকে গুলি করা হয়।

Hooghly: মহিলা দিয়েছিল সুপারি, তৃণমূল নেতাকে ছক কষে খুন, ৭ দোষীর হল বড় সাজা
তৃণমূল নেতা খুনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল ৭ জনেরImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jul 29, 2026 | 4:18 PM
Share

হুগলি: সাত বছর আগের নৃশংস হত্যাকাণ্ড। গুলি করে খুন করা হয়েছিল ব্যান্ডেলের তৃণমূল নেতা দিলীপ রামকে। সেই হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল চুঁচুড়া আদালতে। তৃতীয় দায়রা আদালতের বিচারক কৌস্তভ মুখোপাধ্যায় গতকাল সাত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন। মঙ্গলবার তাঁদের সাজা ঘোষণা হয়। দোষী সাব্যস্তরা হলেন মহম্মদ নাসিম (গুড্ডু), সাদ্দাম হোসেন, মঙ্গল যাদব, বৈজনাথ রায় (হেডেক), মহম্মদ আকবর, মহম্মদ সানু ও মহম্মদ মানু। এই সাতজনেরই যাবজ্জীবন সশ্রম কারদণ্ডের সঙ্গে আর্থিক জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাতজনই এতদিন জেল হেফাজতে ছিল।

২০১৯ সালের ২৯ জুন ব্যান্ডেল স্টেশনের পাঁচ নম্বর প্লাটফর্মে ওঠার সময় তৃণমূল নেতা দিলীপ রামকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। সেই সময় দিলীপের স্ত্রী রিতু সিং ব্যান্ডেল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী শঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায় জানান, নব্বই দিনের মধ্যে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী অফিসার প্রদীপ দাঁ। মোট ৩৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। দুষ্কৃতীরা ষড়যন্ত্র করে দিলীপকে খুন করেছিল, এটা আদালতে প্রমাণ করা গিয়েছে। মামলায় চার জন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান আর যে গুলি চালিয়েছিল, তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের সঙ্গে দিলীপের মাথার ভিতর থাকা গুলি মিলে যাওয়া অকাট্য প্রমাণ হিসাবে বিবেচিত হয়।

জানা গিয়েছে, ব্যান্ডেলের মাদক কারবারি সমুন্দ্রি যাদব ওরফে শকুন্তলা দেবীর সঙ্গে দিলীপ রামের বিবাদ ছিল একটি জমি নিয়ে। দিলীপকে সরিয়ে দিতে সমুন্দ্রি পরিকল্পনা করে। তিন লাখ টাকা সুপারি দিয়ে দুষ্কৃতী ভাড়া করে। দুষ্কৃতীরা ব্যান্ডেলে রেইকি করে একাধিকবার। দিলীপ রোজ ব্যান্ডেল স্টেশনের পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে নৈহাটি লোকাল ধরতেন। নৈহাটিতে রেলের অফিসে চাকরি করতেন তৃণমূল এই নেতা। সেদিনও সকাল ৯টা নাগাদ ট্রেন ধরতে পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ওঠার সময় রেললাইনে তাঁকে গুলি করা হয়।

এদিন আদালত সাজা ঘোষণার পর দিলীপ রামের স্ত্রী রিতু বলেন, “আমি খুশি আদালতের রায়ে। আমরা চেয়েছিলাম ফাঁসি হবে। তবে সরকারি আইনজীবী শঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায় যেভাবে মামলটা করেছেন, তাতে খুশি। এখনও মূল অভিযুক্ত ধরা পড়েনি। তাদেরও যেন পুলিশ ধরে।” প্রসঙ্গত, ঘটনার পর থেকে সমুন্দ্রি যাদব ও তার ছেলে আজাদ যাদব ফেরার। সরকারি আইনজীবী বলেন, ফেরার দু’জনের বিরুদ্ধেই চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। যখন তারা ধরা পড়বে, তাদের বিচার শুরু হবে।

Follow Us