Gyanesh Kumar in Kolkata: ‘DM হন বা SP, রেয়াত নেই…’, রাজ্যের আধিকারিকদের ‘ক্লাস’ নিলেন জ্ঞানেশ
Election Commission Full Bench Meeting: মঙ্গলবার আবার রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁদের। তার আগেই বৈঠকের আয়োজন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সঙ্গেও। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছে প্রশাসনিক স্তরের উচ্চপদস্থ কর্তারাও। এবার একযোগে সবার 'ক্লাস' নিলেন জ্ঞানেশ কুমার। বললেন, "অন্য রাজ্যে এত হিংসা দেখা যায় না। বাংলাতেই কেন ভোটের সময় এত অশান্তি? সব রাজনৈতিক দলগুলি আমাদের কাছে অভিযোগ করেছে। এবার এই সব চলবে না।"

কলকাতা: রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের কড়া ভাষায় ধমক মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। ভোট হতে অহিংস, শান্তিপূর্ণ! তা না হলে কারওর রেয়াত নেই। সোমবার বাংলায় এসে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ রাজ্য়ের উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকদের ‘ক্লাস’ নিলেন জ্ঞানেশ কুমার। আরও বেশি কড়া হাতে নির্বাচন সামাল দিতে হবে বলেই মত তাঁর।
এদিন রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠকে বসেছে রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে। মঙ্গলবার আবার রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁদের। তার আগেই বৈঠকের আয়োজন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সঙ্গেও। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছে প্রশাসনিক স্তরের উচ্চপদস্থ কর্তারাও। এবার একযোগে সবার ‘ক্লাস’ নিলেন জ্ঞানেশ কুমার। বললেন, “অন্য রাজ্যে এত হিংসা দেখা যায় না। বাংলাতেই কেন ভোটের সময় এত অশান্তি? সব রাজনৈতিক দলগুলি আমাদের কাছে অভিযোগ করেছে। এবার এই সব চলবে না।”
পদের ‘মোহ’ ভুলে বাংলায় শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তিনি আরও বলেন, “জেলাশাসক হন বা পুলিশ কমিশনার, গাফিলতি দেখলে রেয়াত নেই। কেউ পালাতে পারবেন না। নির্বাচনের পর দোষী সাব্যস্ত হলে পদক্ষেপ তাঁদের বিরুদ্ধে অনিবার্য।” এমনকি নির্বাচন পরবর্তী হিংসার অভিযোগ এলেও ‘শেষ দেখে ছাড়বেন’ বলে জানিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। তবে শুধুই বাংলার ভোট-হিংসা নয়, বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন পর্বেও আধিকারিকরা ‘গাইডলাইন অমান্য’ করেছেন বলেও দাবি করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।
সোমবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠকে মোট ১৬ দফা দাবিপত্র পেশ করে বিজেপি। বাংলায় নির্বাচনকালীন হিংসা, কারচুপি-সহ নানাবিধ ইস্যুতে সুর চড়ায় তাঁরা। বৈঠক শেষে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমরা কমিশনের কাছে ভয়মুক্ত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি।” এছাড়াও ‘কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদ্ব্যবহার’ করতে হবে কমিশনের কাছে আর্জি করেন বিজেপি নেতা।
