SIR in Bengal: ছেলে মুসলিম, বাবা হিন্দু, কীভাবে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দিলেন AERO?

Allegation against AERO: রাজ্যের সিইও দফতরের প্রশ্ন, কোনও তথ্য ছাড়াই সেই লিঙ্কের অনুমতি দিলেন কীভাবে এইআরও? রোল অবজার্ভারের সুপার চেকিংয়ে ধরা পড়েছে এই গরমিল। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হচ্ছে এই রিপোর্ট। আর সেই রিপোর্ট দেখে কমিশন কী পদক্ষেপ করে, সেটাই দেখার।

SIR in Bengal: ছেলে মুসলিম, বাবা হিন্দু, কীভাবে গ্রিন সিগন্যাল দিলেন AERO?
ফাইল ফোটোImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Feb 18, 2026 | 2:15 PM

কলকাতা: বাবা হিন্দু। ছেলে মুসলিম। এটা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। ছেলে ধর্ম পরিবর্তন করতে পারেন। যেমন বাংলায় গায়ক সুমন চট্টোপাধ্যায় ধর্ম পরিবর্তন করে কবীর সুমন হয়েছেন। কিন্তু, এসআইআর প্রক্রিয়ায় এমন নির্দশন পাওয়া গেলে কি AERO তা খতিয়ে দেখবেন না? বাংলায় এসআইআর নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই এই প্রশ্ন উঠে গেল। এইআরও-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট পাঠাচ্ছে রাজ্যের সিইও দফতর।

এসআইআর-এ শুনানি পর্ব শেষ হয়েছে। এখন স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া চলছে। আর সেই যাচাই পর্বেই ভূরি ভূরি অভিযোগ সামনে আসছে। সেগুলি ধরা পড়ছে পর্যবেক্ষকদের নজরে। তেমনই একটি ঘটনায় চক্ষু চড়কগাছ পর্যবেক্ষকদের। কী হয়েছে? পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার একজন ভোটারের তথ্য খতিয়ে দেখতে গিয়ে দেখা যায়, ওই ভোটারের নাম শেখ রইস আলি। একজন মুসলিম যুবক। তাঁর বাবার নাম লেখা হয়েছে ভুবনচন্দ্র বেরা। হিন্দু ব্যক্তি। এই ভুবনচন্দ্র বেরাকেই নিজের বাবা দেখিয়ে লিঙ্ক করিয়েছেন রইস আলি। সেই তথ্য আপলোডও করেছেন AERO।

রাজ্যের সিইও দফতরের প্রশ্ন, কোনও তথ্য ছাড়াই সেই লিঙ্কের অনুমতি দিলেন কীভাবে এইআরও? রোল অবজার্ভারের সুপার চেকিংয়ে ধরা পড়েছে এই গরমিল। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হচ্ছে এই রিপোর্ট। আর সেই রিপোর্ট দেখে কমিশন কী পদক্ষেপ করে, সেটাই দেখার।

বাংলায় এসআইআর-এ ইআরও এবং এইআরও-দের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রশ্ন উঠেছে। বিজেপির অভিযোগ, শাসকদলের চাপে কিংবা শাসকদলের কথায় ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করেছেন অনেক আধিকারিক। ইতিমধ্যেই সাত আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছে কমিশন। এমনকি, কমিশনের নির্দেশে চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে রাজ্য সরকার। বিজেপির বক্তব্য, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর গাফিলতি ধরা পড়লে আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি, যেসব আধিকারিক কমিশনের অন্যায় দাবি না মেনে শিরদাঁড়া সোজা রেখে কাজ করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করা হচ্ছে।