Chandrima Bhattacharya Resigns: ‘আমি স্বীকার করছি…’, সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন চন্দ্রিমা
TMC Crisis-Chandrima Bhattacharya: দলের প্রতি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তিনি কতটা অনুগত ছিলেন, পদত্যাগ করার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্য়েই সে কথা অনেকবার বলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, মমতার একটা প্রশ্নেই খারাপ লেগে যায় তাঁর। কুণাল ঘোষরা প্রশ্ন তুলছেন, একের পর এক দফতরের মন্ত্রী হওয়ার সময় অভিমান কোথায় ছিল চন্দ্রিমার?

কলকাতা: এতদিন যাঁদের মুখে মমতা-স্তুতি শোনা যেত, আজ তাঁদের মধ্যে অনেকেই ভয়ঙ্কর সব অভিযোগ তুলছে। দলের মধ্য়ে যে কতটা দমবন্ধ করা পরিস্থিতি ছিল, সেটাও এতদিনে শোনা গিয়েছে কাকলি, রচনাদের মুখ থেকে। এবার তালিকায় নতুন নাম চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)। ইস্তফা দেওয়ার পরই তিনি দাবি করেছেন, অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাজেট সম্পর্কে কিছু জানতেও পারতেন না তিনি। আর এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষমা চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী।
দলের প্রতি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তিনি কতটা অনুগত ছিলেন, পদত্যাগ করার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্য়েই সে কথা অনেকবার বলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, মমতার একটা প্রশ্নেই খারাপ লেগে যায় তাঁর। কুণাল ঘোষরা প্রশ্ন তুলছেন, একের পর এক দফতরের মন্ত্রী হওয়ার সময় অভিমান কোথায় ছিল চন্দ্রিমার?
সাংবাদিক বৈঠকে চন্দ্রিমা উল্লেখ করেন, মন্ত্রী হলেও গুরুত্ব ছিল না তাঁর। বাজেট নিয়েও তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা হত না। গোপন রাখা হত তাঁর কাছ থেকেও। প্রাক্তন মন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “আমার বিশ্বাসযোগ্যতা কী, আনুগত্য কতটা, তা আপনারা জানেন। আপনাদের সঙ্গে আমি রূঢ় ব্যবহার করেছি। আমি স্বীকার করছি। আপনাদের বলেছি, বলব না, মন্ত্রগুপ্তি আছে, মমতার নির্দেশ ছাড়া কিছু বলব না। আপনাদের প্রশ্নের জবাব দিইনি। আপনাদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।”
দলের সদস্যপদ ছেড়েছেন কি না, সে ব্যাপারে কোনও সদুত্তর দেননি শুক্রবার পদত্যাগ করার পর চন্দ্রিমা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেই ছবি সামনে এসেছে। তারপরও শিবির বদলের কথা নিজে মুখে স্বীকার করেননি চন্দ্রিমা। শুধু বলেছেন, “কালের নিয়মে চলতে হয়। সময় যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকে যাব।”
