AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kunal On Chandrima: ‘যখন এতগুলো দফতর হাতে ছিল, তখন অভিমান হয়নি?’ চন্দ্রিমাকে কটাক্ষ কুণালের

Kunal attacks Chandrima: তৃণমূল বিধায়ক কুণাল বলেন, " আগেও ওঁর পরিবারের ঘনিষ্ঠ ওইদিকে গিয়েছেন, এগুলো দেখেছি। তা সত্ত্বেও ওঁকে শ্রদ্ধা করতাম, ভালবাসতাম। কিন্তু কাল যখন এরকম একটা ঘটনা ঘটল, তখন দলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। যদি আর কিছুক্ষণ বসে থাকতেন, আমরা পৌঁছে যেতাম।"

Kunal On Chandrima: 'যখন এতগুলো দফতর হাতে ছিল, তখন অভিমান হয়নি?' চন্দ্রিমাকে কটাক্ষ কুণালের
কুণাল-চন্দ্রিমাImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jul 04, 2026 | 5:36 PM
Share

কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রতর শিবিরে নাম লিখিয়েছেন যাঁরা, তাঁদের আক্রমণ করতে ছাড়েননি কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। কখনও গদ্দার, কখনও বিশ্বাসঘাতক বলে আক্রমণ করেছেন। এবার চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কুণাল। তৃণমূল বিধায়কের প্রশ্ন, যখন এতগুলো দফতর তাঁর হাতে ছিল, তখন কেন অভিমান হয়নি? আজ কেন হঠাৎ খারাপ লাগছে চন্দ্রিমার (Kunal Ghosh attacks Chandrima Bhattacharya)? গতকাল তৃণমূল ভবন থেকে চন্দ্রিমার বেরিয়ে যাওয়া নিয়েও মন্তব্য করেছেন কুণাল।

তৃণমূল ভবন থেকে তড়িঘড়ি বেরিয়ে গিয়েছিলেন চন্দ্রিমা?

কিছুদিন আগেই দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল চন্দ্রিমাকে। গতকালও দলের সভানেত্রী হিসেবে তৃণমূল ভবনে বসেছিলেন। কিন্তু, আজ সকালেই হঠাৎ দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন চন্দ্রিমা। মমতার হাত ছেড়েছেন তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী। মমতার দলের ভরসার মুখ ছিলেন তিনি। অথচ সেই চন্দ্রিমার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই নাকি প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এমনই অভিযোগ তুলেছেন প্রাক্তন বিধায়ক। তবে, কুণালের দাবি, গতকাল তৃণমূল ভবন থেকে তড়িঘড়ি বেরিয়ে গিয়েছিলেন চন্দ্রিমা। তাঁকে কিছুক্ষণ থাকার জন্য অনুরোধ করা হলেও নাকি শোনেননি।

কুণাল ঘোষ কী বললেন?

এই বিষয়ে কুণাল বলেন, ” আগেও ওঁর পরিবারের ঘনিষ্ঠ ওইদিকে গিয়েছেন, এগুলো দেখেছি। তা সত্ত্বেও ওঁকে শ্রদ্ধা করতাম, ভালবাসতাম। কিন্তু কাল যখন এরকম একটা ঘটনা ঘটল, তখন দলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। যদি আর কিছুক্ষণ বসে থাকতেন, আমরা পৌঁছে যেতাম। এমনকী, ওখানে কর্মীরাও অনুরোধ করেছিলেন দিদি আর কিছুক্ষণ বসে যান। তিনি বললেন আমি এসবে থাকব না। তারপরই গাড়ি ডেকে বেরিয়ে গেলেন। এটা তো প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে কাম্য নয়।”

উল্লেখ্য, শুক্রবার তৃণমূল ভবনের দখল নিয়েছিলেন ঋতব্রতরা। সেইসময় সেখানে ছিলেন চন্দ্রিমা। এই বিষয়ে প্রাক্তন বিধায়ক বলেন, “তৃণমূল ভবনে গতকাল যা ঘটেছে, সেটা নিয়ে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা বললাম, উনি আমাকে বললেন, ‘ভবনটা ওদের হাতে তুলে দিলে?’ আমি তো কিছুই তুলে দিই নি।” চন্দ্রিমার দাবি, মমতার এই কথাতেই খারাপ লেগেছে তাঁর। চন্দ্রিমার দাবি, এই কথায় তাঁর আনুগত্য প্রশ্নের মুখে পড়ে গিয়েছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চন্দ্রিমাকে কটাক্ষ কুণালের

এরপরই কুণালের আক্রমণ, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন অনেকগুলো মন্ত্রীর পদ পেয়েছিলেন। সেইসময় কেন মনে হয়নি। এত দফতর যখন হাতে ছিল, তখন কেন অভিমান হয় এখন একটাই কথা নাকি দুঃখ লাগছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যখন দেওয়ার জায়গায় ছিলেন, তখন আমি আঁচল পেতে নেব, আর এখন যখন প্রাক্তন, তখন অন্য শিবিরের দিকে যাচ্ছে। ভয়ঙ্কর অকৃতজ্ঞতার রাজনীতি বাংলার মানুষ মেনে নেবে না।” প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য, অর্থ, আইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব চন্দ্রিমাকে দিয়েছিলেন মমতা।

Follow Us