PM Narendra Modi: জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের ‘কূটনীতি’, পেট্রোল নিয়ে ‘বড়’ দাবি মোদীর
Narendra Modi on Petrol-Diesel: সম্প্রতি, রাজস্থানের একটি জনসভায় বক্তৃতা দেন প্রধানমন্ত্রী। সেইসময় বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ তুলে মোদী বলেন, "অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশছোঁয়া হয়েছিল। বিশ্বের বহু দেশে ডিজেলের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল।" সেই পরিস্থিতিতে কী পদক্ষেপ করেছিল সরকার? জানালেন মোদী।

নয়া দিল্লি: দেশে পেট্রোল-ডিজ়েলের (Petrol-Diesel) কোনও ঘাটতি নেই। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। পশ্চিম এশিয়ার উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে অপরিশোধিত তেলের দাম যখন বাড়ছিল, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, সেইসময় ভারতকে কীভাবে সংকট পরিস্থিতি থেকে দূরে রেখেছিলেন, তাও তুলে ধরেছেন মোদী (Modi on Petrol-Diesel)। তাঁর কথায়, কেন্দ্রের ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’ নীতি এবং কূটনৈতিক তৎপরতার জোরেই দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
কী বললেন মোদী?
সম্প্রতি, রাজস্থানের একটি জনসভায় বক্তৃতা দেন প্রধানমন্ত্রী। সেইসময় বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ তুলে মোদী বলেন, “অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশছোঁয়া হয়েছিল। বিশ্বের বহু দেশে ডিজেলের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল। তবে এই পরিস্থিতিতেও ভারতে পেট্রোল বা ডিজেলের কোনও ঘাটতি হয়নি। ভারতে আমরা পেট্রোলের কোনও সংকট তৈরি হতে দিইনি। অনেক গুজব ছড়ানো হয়েছিল, কিন্তু তা সফল হয়নি। আমরা ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করেছি। সংকটের সময় আমাদের কূটনীতি সফল হয়েছে।”
৪০টিরও বেশি দেশে জ্বালানি রফতানি
ভারতের জ্বালানি নীতি প্রসঙ্গে মোদী জানান, দেশের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই ভারত ৪০টিরও বেশি দেশে জ্বালানি রফতানি করেছে। বলেন, “আমরা ৪০টিরও বেশি দেশে জ্বালানি রফতানি করেছি এবং গোটা বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছি যে, আমাদের কাছে দেশের স্বার্থই সবার আগে।”
এলপিজি নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?
এলপিজি সরবরাহ নিয়ে মোদীর দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লেও দেশে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। মোদী বলেন, “আমরা এলপিজির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করেছি। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি অনুযায়ী এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২,০০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছতে পারত। কিন্তু আমরা ৯৫০ টাকায় সিলিন্ডার দিয়েছি।” এছাড়া উজ্জ্বলা যোজনা-র উল্লেখ করে বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের দরিদ্র পরিবারগুলির কাছে রান্নার গ্যাসের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
