WB Govt: শুক্রবার দুপুরেই দিল্লি পৌঁছে গেলেন নন্দিনী চক্রবর্তী, রিপোর্ট না দেওয়ায় তলব কমিশনের?
২০২৩-এর ২৬ জুনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এসডিও-এসডিএম স্তরের আধিকারিকদের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ERO) হিসেবে নিয়োগ করা হয়নি। এই বিষয়ে চিঠি দেওয়ার পরও পদক্ষেপ করা হয়নি। এসডিও/এসডিএম স্তরের আধিকারিকদের রিটার্নিং অফিসার (RO) হিসেবে নিয়োগ করা হয়নি কেন, সেই প্রশ্নও ওঠে।

কলকাতা: শুক্রবার সকালে দিল্লি গেলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী ভট্টাচার্য। এসআইআর নিয়ে কমিশনের সঙ্গে পরপর রাজ্যের সংঘাত সামনে এসেছে। রাজ্যকে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দিতে বলেছিল নির্বাচন কমিশন, কিন্তু রাজ্য সরকার সেই রিপোর্ট দেয়নি। পাশাপাশি চারজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হলেও, তা করেনি রাজ্য। এই সব বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতেই মুখ্যসচিব দিল্লি গিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।
গত বছরের ৫ আগস্ট ও চলতি বছরের ২ জানুয়ারি চিঠি দেওয়া সত্ত্বেও ২ জন ইআরও (ERO), ২ জন এইএইআরও (AERO) এবং ১ জন ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৩২ ধারায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩ অনুযায়ী এফআইআর দায়ের করা হয়নি। এই নিয়ে বারবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তৎকালীন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে তলবও করা হয়েছিল দিল্লিতে।
এছাড়া, বসিরহাট–১ এর বিডিও ও এএইআরও সুমিত্র প্রতিম প্রধানের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়নি। অভিযোগ, তিনি আইনবিরোধীভাবে স্বতঃপ্রণোদিত নির্দেশ দিয়ে অতিরিক্ত ১১ জন এএইআরও নিয়োগ করে শুনানি পরিচালনা করান। গত ২৫ জানুয়ারি নির্দেশ দেওয়া হয় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনজন ইলেক্টোরাল রোল অবজারভার অশ্বিনী কুমার যাদব, রণধীর কুমার এবং স্মিতা পাণ্ডের বদলি বাতিল করা হয়নি। অভিযোগ, ২৭ অক্টোবর ২০২৫-এর এসআইআর সংক্রান্ত নির্দেশিকা অমান্য করে বদলি করা হয় তাঁদের। এই বিষয়েও রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছিল, যা এখনও দেওয়া হয়নি রাজ্যের তরফে। ২০২৩-এর ২৬ জুনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এসডিও-এসডিএম স্তরের আধিকারিকদের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ERO) হিসেবে নিয়োগ করা হয়নি। এই বিষয়ে চিঠি দেওয়ার পরও পদক্ষেপ করা হয়নি। এসডিও/এসডিএম স্তরের আধিকারিকদের রিটার্নিং অফিসার (RO) হিসেবে নিয়োগ করা হয়নি কেন, সেই প্রশ্নও ওঠে।
এই সব বিষয়েই গত ৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর ৩টের মধ্যে সম্পূর্ণ রিপোর্ট পাঠাতে বলা হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের তরফে। রিপোর্ট না দেওয়ার কারণেই আজ, শুক্রবার মুখ্যসচিবের হাজিরা বলে মনে করা হচ্ছে।
