Chorbaga Sarbojanin Stampede: ‘একবার আমার কুুকুর মারা যায়’, চোরবাগানের দুর্গাকে ‘জাগ্রত’ বলে ভয়ঙ্কর কথা প্রাক্তন উদ্যোক্তা জয়ন্তর
Chorbaga Sarbojanin Durga Puja Tragedy: জয়ন্তর কথায়, "২০২৩ সালে আমাদের পুজোর খুঁটিটাকে একটু সরিয়েছিল দেবাশিসবাবু, আমার বাবা মারা যায়। ২০২৪ সালে মল মাসে আমাদের খুঁটিপুজো হয়েছিল, আমার আরেকটি প্রিয় কুকুর মারা যায়, তার পরপরই মা মারা যান।"

কলকাতা: এবার ৯১ তম বছরে পা দিয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। গত ১৫ বছর ধরে পুজো করে আসছিলেন জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি চোরবাগান সর্বজনীনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক। এই মুহূর্তে তিনি কলকাতার বাইরে। তবে সন্ধ্যা ৭.৪০ মিনিটে যখন ঘটনার সূত্রপাত, তারপরই ফোন খবর পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ঘটনার পর জয়ন্ত একটি ভিডিয়ো বার্তা শেয়ার করেন। আর তাতে তিনি যা দাবি করছেন, তা রীতিমতো গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো।
জয়ন্ত বলেন, “শুধু একটা কথাই বলতে চাই, আমি বারবার সবাইকে বারণ বলেছিলাম, মানে আমার বন্ধুদের। আমাদের মাঠের একটা নিয়ম আছে। আমরা মায়ের মুখকে কোনওদিন অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিই না। আমি কোনওদিন কাউকে ঘোরাতে দিই নি, সে তিনি যত বড়ই শিল্পী হোন না কেন।”
তিনি জানান, মাত্র চার বছর মায়ের মুখ অন্যদিকে ঘোরানো হয়েছিল, ২০২০ সালে করোনার সময়ে ঠাকুর একটু সরেছিল, আর সে সময়ে তাঁর প্রাণের কুকুরটা বম্বে এয়ারপোর্টে মারা যায়। জয়ন্তর কথায়, “২০২৩ সালে আমাদের পুজোর খুঁটিটাকে একটু সরিয়েছিল দেবাশিসবাবু, আমার বাবা মারা যায়। ২০২৪ সালে মল মাসে আমাদের খুঁটিপুজো হয়েছিল, আমার আরেকটি প্রিয় কুকুর মারা যায়, তার পরপরই মা মারা যান।”
এবছর যখন পুজোর প্রস্তুতি চলছিল, তখনও তিনি তাঁর বন্ধুদের বারবার বারণ করেছিলেন। তিনি বলেন, “এবছর যখন ঠাকুরকে সরানো হয়েছিল, তখন বারবার আমি পাড়ার সবাইকে বারণ করেছিলাম। ঠাকুরটাকে যাতে না সরানো হয়। কারণ আমাদের পাড়ার ঠাকুর খুব জাগ্রত। এবছর কেন এই ঘটনা ঘটল, জানি না। হয়তো এটা কাকতালীয় হতে পারে। আমি বলব না ওটার জন্যই এটা হয়েছে।”
