Chorbagan Death: ছেলের চোখের সামনেই মা-বাবার ‘জীবন চুরি’ গেল চোরবাগানে
Kolkata News: জানা যাচ্ছে, বরাহনগরে এনকে চট্টোপাধ্যায় রোডের বাসিন্দা ছিলেন দিলীপ-দিপালী। সপ্তমীতে স্বামী-স্ত্রী গিয়েছিলেন চোরবাগানের ঠাকুর দেখতে। সঙ্গে ছিল তাঁদের ছেলে পৃথ্বিশ। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। তখনই মণ্ডপের ভিতরে হইচই পড়ে যায়। এর মধ্যেই পুজো উদ্যোক্তাদের তরফে ঘোষণা করা হয়, 'মণ্ডপের দিকে কেউ আসবেন না…মণ্ডপ পড়ে যাচ্ছে।

কলকাতা: স্বামীর নাম দিলীপ ঘোষ। স্ত্রীর নাম দীপালি ঘোষ। সপ্তমীর বিকেলে দু’জন মিলে এসেছিলেন চোরবাগানে বরানগর থেকে। একসঙ্গে এসেছিলেন ঠিকই। কিন্তু বাড়ি আর ফেরা হল না তাঁদের। স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। রেখে গেলেন একমাত্র ছেলেকে। মা নেই, বাবা নেই এবার কী করবেন তিনি? ভাবনার বাইরেই সব।
জানা যাচ্ছে, বরাহনগরে এনকে চট্টোপাধ্যায় রোডের বাসিন্দা ছিলেন দিলীপ-দিপালী। সপ্তমীতে স্বামী-স্ত্রী গিয়েছিলেন চোরবাগানের ঠাকুর দেখতে। সঙ্গে ছিল তাঁদের ছেলে পৃথ্বিশ। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। তখনই মণ্ডপের ভিতরে হইচই পড়ে যায়। এর মধ্যেই পুজো উদ্যোক্তাদের তরফে ঘোষণা করা হয়, ‘মণ্ডপের দিকে কেউ আসবেন না…মণ্ডপ পড়ে যাচ্ছে। আপনারা বেরিয়ে আসুন….মণ্ডপের অবস্থা খুব খারাপ…। বাইরের গেট দিয়ে বেরিয়ে যান।” আর তারপর সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। হুড়োহুড়ি পড়ে যায় বেরিয়ে আসার। তখনই বিপত্তি। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় একাধিকের। মৃতদের তালিকায় রয়েছেন দিলীপ ও দিপালীও। ছেলে কোনও রকমে বেরিয়ে এলেও মা-বাবা হারিয়ে গেলেন না ফেরার দেশে।
পরিবারের এক আত্মীয় বলেন, “কয়েকদিনের মধ্যেই বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। কত হইচই করবেন ভেবেছিলেন ওরা। ভাবতেই পারছি না এমন খবর পাব। সরকারকে আমরা দোষারোপ করব না। তবে, পুজো উদ্যোক্তাদের অবশ্যই ধরা উচিত।”
