Chorbagan Incident: মা-বাবা বোনের হাত ছেড়ে ছিটকে গেল মেয়ে, নিমেষেই তিনজনের চোখের সামনে সব শেষ
Chorbagan Death Toll: শনিবারের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে কাঁকুড়গাছির সোনকার পরিবারে। চোরবাগানের ঠাকুর দেখতে গিয়ে ভিড়ের চাপে প্রাণ হারিয়েছেন এক তরুণী। নাম শুভম সোনকার। ছোট বোন, বাবা-মা, সবার হাত ছেড়ে ছিটকে গিয়েছিলেন শুভম।

কলকাতা: পুজোর শুরুতেই যেন পুজো শেষ! সব আনন্দ নিয়ে গিয়েছে চোরবাগানের (Chorbagan) মর্মান্তিক ঘটনা। যেভাবে একেকটি পরিবার চোখের সামনে সদস্যদের শেষ হয়ে যেতে দেখেছে, তা শুনে শিউরে উঠছে বাংলার মানুষ। নতুন পোশাক পরে, আলো ঝলমল শহরের রাস্তায় যাঁরা বেরিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যেই কারও কারও বাড়িতে পৌঁছবে সাদা কাপড়ে ঢাকা নিথর দেহ।
শনিবারের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে কাঁকুড়গাছির সোনকার পরিবারে। চোরবাগানের ঠাকুর দেখতে গিয়ে ভিড়ের চাপে প্রাণ হারিয়েছেন এক তরুণী। নাম শুভম সোনকার। ছোট বোন, বাবা-মা, সবার হাত ছেড়ে ছিটকে গিয়েছিলেন শুভম। আচমকা হুড়োহুড়িতে কোথায় মেয়ে, প্রথমটায় খুঁজে পাননি বাবা-মা। যতক্ষণে দেখা মিলল, ততক্ষণে আর সাড়া নেই শুভমের।
ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মা শকুন্তলা সোনকার এবং বাবা রামজি সোনকার। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোট বোন শ্রেয়া সোনকার, দিদি শুভম সোনকার, মা শকুন্তলা এবং বাবা রামজি একসঙ্গে কাঁকুড়গাছির চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়েছিলেন। মণ্ডপ ও সংলগ্ন এলাকায় অত্যধিক ভিড় থাকায় আচমকাই পরিবারের সদস্যরা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তারপর হঠাৎ ভিড়ের চাপে একসময় হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।
ভিড়ের সেই প্রবল চাপে ঘটনাস্থলেই পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় বড় মেয়ে শুভম সোনকারের। অন্যদিকে, ভিড়ের ধাক্কায় মাটিতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন মা ও বাবা। চোখের সামনে এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন শ্রেয়া সোনকারসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনেরা। উৎসবের আনন্দ মুহূর্তের মধ্যে বিষাদে পরিণত হয়েছে গোটা এলাকায়।
